নিজস্ব প্রতিনিধি, ইম্ফল – ২০২৩ সালের মে মাসে মেতেই-কুকি সংঘর্ষ শুরু হয়। যা এখনও চলছে। সোমবার সকালে ত্রাণশিবিরে অবস্থানরত কয়েকশো ঘরছাড়াদের সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষ হয় নিরাপত্তাবাহিনীর। ফের উত্তপ্ত পরিস্থিতি উত্তর-পূর্বের রাজ্য। এখনও ত্রাণশিবিরে রয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ।
সূত্রের খবর, এদিন ঘরে ফেরার জন্য রওনা দিয়েছিলেন একৌ, দোলাইথাবি এবং ইয়েংখুমান এলাকার ত্রাণশিবিরগুলি থেকে ঘরছাড়ারা। আশ্রয়শিবির থেকে বেরোতেই তাঁদের বাঁধা দেয় নিরাপত্তাবাহিনী। পাল্টা বিক্ষোভ দেখান ত্রাণশিবিরে অবস্থানরত কয়েকশো ঘরছাড়া। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে নিরাপত্তাবাহিনী।
সংবাদমাধ্যমকে এক মেইতেই বিক্ষোভকারী এস কুমারজিৎ জানিয়েছেন, “আমরা বেশিরভাগ কৃষক। যখন আমরা বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিলাম, তারপর থেকে আমাদের রোজগার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। আমরাও এবার ঘরে ফিরতে চাই। আমরা আর কত দিন ত্রাণশিবিরে বন্দি থাকব?”
হাসপাতালে ভর্তি তরুণী
মৃতদেহের পকেট থেকে উদ্ধার একটি সুইসাইড নোট
২৭ জনের মাথার দাম ছিল মোট ৬৫ লক্ষ টাকা
দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান দিল্লি পুলিশের
শারীরিক ভাবে অসুস্থ লালু
সত্য বলার ‘অপরাধে’ জম্মুতে ‘বুলডোজার’ শাসন
গণবিবাহে সমাগম হওয়ার কথা প্রায় ২৫ হাজার মানুষের
নেকড়ের হামলায় আতঙ্কে স্থানীয়রা
আতঙ্কে ঘরছাড়া স্থানীয়রা
মোদির মুখে রাম মন্দিরের জয়গান
ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা জয়শঙ্করের
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
সিঁদুরে মেঘ দেখছে দিল্লিবাসী
একাধিক স্কুল, কলেজে ছুটি ঘোষণা
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
হামলার কথা স্বীকার ইজরায়েলের
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এয়ারবাসের
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
বিবৃতি জারি ট্রাম্প প্রশাসনের
আপাত বন্ধ স্কুল-অফিস