নিজস্ব প্রতিনিধি, ইম্ফল – ২০২৩ সালের মে মাসে মেতেই-কুকি সংঘর্ষ শুরু হয়। যা এখনও চলছে। সোমবার সকালে ত্রাণশিবিরে অবস্থানরত কয়েকশো ঘরছাড়াদের সঙ্গে তুমুল সংঘর্ষ হয় নিরাপত্তাবাহিনীর। ফের উত্তপ্ত পরিস্থিতি উত্তর-পূর্বের রাজ্য। এখনও ত্রাণশিবিরে রয়েছেন ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ।
সূত্রের খবর, এদিন ঘরে ফেরার জন্য রওনা দিয়েছিলেন একৌ, দোলাইথাবি এবং ইয়েংখুমান এলাকার ত্রাণশিবিরগুলি থেকে ঘরছাড়ারা। আশ্রয়শিবির থেকে বেরোতেই তাঁদের বাঁধা দেয় নিরাপত্তাবাহিনী। পাল্টা বিক্ষোভ দেখান ত্রাণশিবিরে অবস্থানরত কয়েকশো ঘরছাড়া। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে নিরাপত্তাবাহিনী।
সংবাদমাধ্যমকে এক মেইতেই বিক্ষোভকারী এস কুমারজিৎ জানিয়েছেন, “আমরা বেশিরভাগ কৃষক। যখন আমরা বাড়িঘর ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়েছিলাম, তারপর থেকে আমাদের রোজগার সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এখন সরকার জানিয়েছে, রাজ্যে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে এসেছে। আমরাও এবার ঘরে ফিরতে চাই। আমরা আর কত দিন ত্রাণশিবিরে বন্দি থাকব?”
ত্রিমুখী যুদ্ধে অগ্নিগর্ভ মধ্যপ্রাচ্য
ভারত-কানাডার বন্ধুত্ব
ইরানের সঙ্গে আমেরিকা-ইজরায়েলের যুদ্ধ তুঙ্গে
সপ্তাহের প্রথম দিনই রক্তাক্ত শেয়ার বাজার
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও
যুদ্ধের কালো মেঘ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে
ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য থানেতে
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অভিযুক্ত যুবতীর খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
সামনেই রাজ্যসভা নির্বাচন
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর