নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - শীত বাড়তেই ফের চোরের উপদ্রব উত্তরপাড়া থানা এলাকায়। একের পর এক চুরির ঘটনায় ক্ষোভ বাড়ছে বাসিন্দাদের মধ্যে। মূলত তালাবদ্ধ বাড়িকেই নিশানা করে সংঘবদ্ধ দল রাতের অন্ধকারে হানা দিচ্ছে। খোয়া যায় নগদ অর্থসহ একাধিক মূল্যবান সামগ্রী। গোটা বিষয়টির তদন্ত শুরু করেছে চন্দননগর পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , উত্তরপাড়া পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিশ্বজিৎ সরকার। দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ি বন্ধ থাকার সুযোগে দুষ্কৃতীরা পেছনের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে হাতসাফাই চালায়। রবিবার সকালে বাড়ির মালিক এসে দেখতে পান আলমারি ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রতিটি কক্ষ তছনছ হয়ে রয়েছে।

চন্দননগর কমিশনারেটের অন্তর্গত এই অঞ্চলে গত দু’তিন বছরে পঞ্চাশেরও বেশি গৃহভাঙার অভিযোগ জমা পড়েছে। অতীতে একাধিক অভিযানে কয়েকজনকে গ্রেফতার করে কিছু চোরাই জিনিস উদ্ধার করা গেলেও পরিস্থিতির স্থায়ী উন্নতি হয়নি। পুলিশের তরফে বাসিন্দাদের বারবার সতর্ক করা হচ্ছে যেন ফাঁকা বাড়ি রেখে দীর্ঘ সময় বাইরে না থাকতে, কোথাও গেলে থানায় আগাম জানিয়ে যেতে।
বাড়ির মালিক বিশ্বজিৎ সরকার জানান, 'আমরা নিয়মিত সামনের দিক নজরে রাখলেও পিছনের অংশে তেমন আসা হয় না। হঠাৎ সামনের দরজা খুলতে অসুবিধা হওয়ায় পিছনের দিকে যাই। তখনই বুঝতে পারি বড় চুরি হয়েছে। পুরো তিনতলা বাড়ি তছনছ করে সব নিয়ে পালিয়েছে। প্রশাসনের কাছে আর্জি, আমাদের চুরি যাওয়া টাকা, জিনিসপত্র যেন উদ্ধার করা হয়'।
ঘটনা প্রসঙ্গে প্রতিবেশী প্রশান্ত দাস জানান, 'দিনের পর দিন যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে সাধারণ মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস করা অসম্ভব। আগের মতো ফের ক্লাবগুলির উদ্যোগে সমন্বয় গড়ে তুলে রাত পাহারার ব্যবস্থা চালু করা দরকার। ভোরের দিকে এই ধরনের ঘটনা বেশি ঘটছে। পুলিশের টহল আরও বাড়ানো উচিত। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তা দেওয়া প্রশাসনের দায়িত্ব'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়