নিজস্ব প্রতিনিধি, পাটনা – হাতে আছে আর মাত্র কয়েক মাস। তারপরই বিহারে নির্বাচন। তার আগে শুক্রবার বিহারে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিহারের জনসভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যু নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “দেশের এক অন্যতম বড় সমস্যা হল অনুপ্রবেশের। বহু জায়গাতেই দ্রুত বদলে যাচ্ছে জনসংখ্যা বিন্যাস। বিশেষ করে বিহারের সীমানা জেলাগুলিতে। আমি চাই না বিহারের তরণ প্রজন্মের উপার্জনের পথ অনুপ্রবেশকারীরা বন্ধ করে দিক। তাই যে সব দল এই অনুপ্রবেশকারীদের সমর্থনে গলা ফাটাচ্ছে, তাদের চিনে রাখুন। দেশে অবৈধ অভিবাসীদের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা উদ্বেগের বিষয়। বিহারের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে, জনসংখ্যার চিত্র দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এনডিএ সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে অবৈধ অভিবাসীদের আমাদের দেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে দেওয়া হবে না। আমরা অভিবাসীদের বিহারের জনগণের জন্য নির্ধারিত চাকরি কেড়ে নিতে দেব না।“
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “জনংখ্যা বিন্যাস সংক্রান্ত এই হুমকি মোকাবিলা করার জন্য, আমি একটি জনসংখ্যাতাত্ত্বিক মিশন শুরু করার প্রস্তাব করেছি। এই মিশন শীঘ্রই তার কাজ শুরু করবে। আমরা প্রতিটি অবৈধ অভিবাসীকে বহিষ্কার করব। বিহারের জনগণকে দেশের এই অভিবাসীদের সমর্থকদের সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। কংগ্রেস এবং আরজেডি বিহারের জনগণের অধিকার কেড়ে নিতে চায় এবং তুষ্টির জন্য এবং তাদের ভোট ব্যাংক বাড়ানোর জন্য অভিবাসীদের হাতে তুলে দিতে চায়।“
বিহার প্রসঙ্গে মোদির বক্তব্য, “বিহার হল চাণক্য এবং চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের ভূমি। বিহার সর্বদা দেশের মেরুদণ্ড হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। এই পবিত্র ভূমিতে গৃহীত প্রতিটি সংকল্পই দেশের শক্তি। সেই সংকল্প বৃথা যায় না। যখন পহেলগাঁও সন্ত্রাসী হামলা ঘটেছিল, তখন আমি এই মাটিতে দাঁড়িয়েই সন্ত্রাসীদের ধ্বংস করার প্রতিজ্ঞা করেছিলাম। বিশ্ব সেই সংকল্প পূর্ণ হতে দেখেছে।“
কংগ্রেসকে তোপ দেগে তিনি বলেন, “একজন কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন যে তিনি বিহারের মানুষকে তাঁর রাজ্যে ঢুকতে দেবেন না। বিহারের জনগণের প্রতি কংগ্রেসের ঘৃণা কেউ ভুলতে পারে না। বিহারের জনগণের সাথে কংগ্রেসের দুর্ব্যবহার দেখেও আরজেডি গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। এনডিএ কঠোর পরিশ্রম করছে যাতে বিহারের যুবকরা তাদের রাজ্যে কর্মসংস্থান পেতে পারে, যাতে তারা সম্মান পায় এবং তারা তাদের বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতে পারে।“
কিয়েভে মুহুর্মুহু আছড়ে পড়ল রুশ ক্ষেপণাস্ত্র
ভিক্ষা নিষিদ্ধ করতে আইন চালু করতে মরিয়া মিজোরাম সরকার
শাহের স্বপ্নপূরণের পথে আরও একধাপ এগোল ভারত
দুর্যোগের সতর্কবার্তার পরও কেন বৈষ্ণোদেবী যাত্রা বন্ধ রাখেননি আধিকারিকরা? প্রশ্ন ওমর আবদুল্লার সরকারের
চলতি মাসের শেষদিনে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী
নয়ডাকাণ্ডের তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য
ভোটার অধিকার যাত্রা নিয়ে বিতর্কের মুখে রাহুল গান্ধী
মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে মহারাষ্ট্র সরকার
ইরাবতী নদীর জলে ভয়াবহ বিপর্যয় হিমাচল প্রদেশে
খবর প্রকাশ্যে আসতেই জারি হাই অ্যালার্ট
বিহারের খসড়া ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে ৬৫ লক্ষ ভোটার!
ট্রাম্প প্রশাসনকে বেকায়দায় ফেলতে গর্জে উঠলেন যোগগুরু
‘ল্যান্ড জেহাদ’ নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র সরকার
কয়েক লক্ষ কোটি টাকা লোকসানের সম্ভাবনা
নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টার অভিযোগ
আরও কড়াকড়ি হবে গ্রিন কার্ড
মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা পাঞ্জাবে
ফের পাকিস্তানকে সতর্কবার্তা ‘মানবিক’ ভারতের
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করার দাবি ট্রাম্পের
গাজার হাসপাতালে হামলায় শোকপ্রকাশ করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী