নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি – গত সপ্তাহের সোমবার রক্তাক্ত হয়েছিল দেশের রাজধানী। মঙ্গলবার ফের দেশের রাজধানীর একাধিক স্কুল, আদালতে বোমাতঙ্ক। খবর পেয়েই প্রত্যেকটি জায়গায় পৌঁছয় দিল্লি পুলিশ এবং বম্ব স্কোয়াডের সদস্যরা। গোটা ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
সূত্রের খবর, এদিন সকালে একটি ইমেল পাঠানো হয় পাক জঙ্গি সংগঠন জইশের নামে। ইমেলে জানানো হয়, দিল্লির দ্বারকা এবং প্রশান্ত বিহার এলাকার দুটি সিআরপিএফ স্কুল, সাকেত আদালত, পাটিয়ালা আদালত, তিস হাজারি কোর্ট সহ দিল্লির একাধিক নিম্ন আদালত বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হবে। এরপরই স্কুলগুলি থেকে পড়ুয়াদের এবং আদালত থেকে আইনজীবী, সাধারণ মানুষদের বের করে দেওয়া হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় শুনানি।
তৎক্ষণাৎ স্কুলগুলি ও আদালতগুলিতে ছুটে যান পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকরা। শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি। যদিও তল্লাশি চালিয়ে কোনও সন্দেহজনক জিনিস বা কোনও বিস্ফোরক পাওয়া যায়নি। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, ভুয়ো ইমেল পাঠিয়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা হুমকি ইমেল পাঠিয়েছে, তাঁদের উদ্দেশ্য কি? এই তথ্য জানার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।
সপ্তাহের প্রথম দিনই রক্তাক্ত শেয়ার বাজার
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
বেজায় জটিল মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
চরম দুর্ভোগে যাত্রীরা
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ভিডিও
যুদ্ধের কালো মেঘ মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে
ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য থানেতে
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
অভিযুক্ত যুবতীর খোঁজে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
সামনেই রাজ্যসভা নির্বাচন
এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে সতর্কবার্তা
বেজায় চটেছেন যাত্রীরা
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর