নিজস্ব প্রতিনিধি , হাওড়া - ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়ানোর কৌশল নিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। নবান্নে ডেপুটেশন দিতে গিয়ে বাধার মুখে পড়লেও আন্দোলনের বার্তা পৌঁছে দিতে এক নতুন পথ বেছে নিলেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। একইসঙ্গে, ডিএ আন্দোলনকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিয়ে সরকারকে অচল করার হুঁশিয়ারি দিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ।
রাজ্য সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএর দাবিতে শুক্রবার নবান্নে ডেপুটেশন দেওয়ার কর্মসূচি ছিল সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের। তবে পুলিশি বাধায় নবান্নে পৌঁছতে পারেননি তারা। শেষ পর্যন্ত আন্দোলনকারীদের ট্রাফিক গার্ডেই ডেপুটেশন জমা দিতে বলা হয়। ট্রাফিক গার্ডের রিলিভিং সেন্টারে পুলিশ কর্মীদের হাতেই ডেপুটেশন তুলে দেন ডিএ আন্দোলনকারীরা।
ডেপুটেশন জমা দেওয়ার পর রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ভাষায় সরব হন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ। তিনি জানান, পুলিশ কর্মীদের কাছে ডেপুটেশন দেওয়াকে তারা পরাজয় নয়, বরং সাফল্য হিসেবেই দেখছেন। তার কথায়, ' আমরা আরও খুশি, পুলিশ কর্মীরাই আমাদের প্রতিনিধি হিসাবে দাবিটা পৌঁছে দিলেন। একটা প্রচ্ছন্ন বার্তাও দিলেন। কারণ ওরাও সরকারি কর্মী।'
ভাস্কর ঘোষ আরও বলেন, 'পুলিশ কর্মীরা আমাদের ডেপুটেশন নিয়েছেন এটাই শুধু নয়। নীরবে তারা একটি স্পষ্ট বার্তাও দিয়ে গেছেন। তারাও চান ডিএ মিটুক। না হলে পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নিতে পারে। আমরা খুশি, কারণ আমাদের হয়ে সহকর্মীরাই বার্তাটা পৌঁছে দিচ্ছেন।'
সুপ্রিম কোর্টের রায় প্রসঙ্গেও রাজ্য সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করেন তিনি। ভাস্করের অভিযোগ, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অবিলম্বে ২৫ শতাংশ ডিএ মেটানোর কথা থাকলেও সরকার সেই নির্দেশ কার্যকর করতে উদ্যোগী নয়। অন্তর্বর্তী বাজেটে তার কোনও আর্থিক সংস্থান না থাকাই তার প্রমাণ বলে দাবি করেন তিনি। ডিএ আন্দোলনকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিয়ে ভাস্কর ঘোষ স্পষ্ট জানিয়ে দেন, সরকার যদি রিভিউয়ের পথে হাঁটে, তবে কর্মচারী সমাজই রাজ্যকে অচল করে দেওয়ার দায়িত্ব নেবে।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়