নিজস্ব প্রতিনিধি, দিল্লি – ধৃত ডাঃ আদিল আহমেদ রাথর থেকে পাওয়া তথ্যের ওপর ভিত্তি করে হরিয়ানার ফরিদাবাদে প্রায় ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করে পুলিশ। এরপর একের পর এক চিকিৎসককে গ্রেফতার করা হয়। তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করেই উমর উন নবির খোঁজ শুরু করে পুলিশ। কিন্তু হদিশ পাওয়ার আগেই দিল্লি বিস্ফোরণ ঘটে গেল।
সূত্রের খবর, ধৃতরা কালো রঙের স্পোর্ট্স শু এবং মেরুন রঙের শার্ট পরিহিত এক যুবকের ক্লু দিয়েছিল তদন্তকারীদের। যার নাম উমর উন নবি। কিন্তু তাঁর হদিশ পায়নি পুলিশ। লালকেল্লার কাছে বিস্ফোরণের পর ধ্বংসস্তূপ থেকে উমরের দেহ শনাক্ত করেন তদন্তকারীরা। ধ্বংসস্তূপ থেকে মেরুন শার্টের টুকরো ও কালো রঙের স্পোর্ট্স শু উদ্ধার করা হয়। এরপর ডিএনএ টেস্ট করে উমরকে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত করা হয়।
সোমবার সন্ধ্যা ৬.৫২ মিনিট নাগাদ দিল্লি বিস্ফোরণ হয়। যাতে মৃত্যু হয়েছে ১৩ জনের। আহত কমপক্ষে ২০ জন। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ফরিদাবাদের আল-ফালাহ্ মেডিকেল কলেজের আদিল আহমেদ রাথর, মুজাফ্ফর আহমেদ, মুজাম্মিল শাকিল, শাহীন সইদ সহ ১৩ জন চিকিৎসককে গ্রেফতার করে পুলিশ।
সংসার নয়, বইয়ের ভাণ্ডারই হয়ে উঠেছে তাঁর আসল ঠিকানা
বাস্তবে ওয়ার্ক ফ্রম হোম ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় সুবিধাভোগী কর্মী নয়
অভিষেকের ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় রাজনীতিতে প্রভাব ফেলেছে
মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...