নিজস্ব প্রতিনিধি , বীরভূম - দুর্গাপুজোয় এক লক্ষ টাকার চাঁদা চেয়ে না পাওয়ায় শপিংমল ঘেরাও টোটো ইউনিয়নের। ঘটনাটি ঘটে ইলামবাজারে। এরপর টোটো ইউনিয়নের দাপটে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।
সূত্রের খবর , ইলামবাজারে এক বহুজাতিক সংস্থার শপিংমলকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল থেকে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ , দুর্গাপুজোর চাঁদা না দেওয়াতেই টোটো ইউনিয়নের সদস্যরা মলের সামনে একের পর এক টোটো দাঁড় করিয়ে ঘেরাও তৈরি করেন। ঘটনাস্থল ইলামবাজার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা , যেখানে প্রতিবছর বড় করে দুর্গাপুজোর আয়োজন হয়।

পুজো কমিটির তরফে ওই শপিংমল কর্তৃপক্ষের কাছে প্রায় এক লক্ষ টাকার চাঁদা দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু মল কর্তৃপক্ষ সেই দাবি মেনে না নেওয়াতেই এদিন সকাল থেকে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়। মলের প্রবেশপথের সামনেই সারি সারি টোটো দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ফলে স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যকলাপ ব্যাহত হয়।
একাংশ টোটো চালকের দাবি , “ইউনিয়নের নির্দেশে আমরা টোটো দাঁড় করিয়েছি।” যদিও ইউনিয়ন নেতৃত্ব সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে জানায় , “মলের সামনের এলাকা পিডব্লিউডির জমি। সেখানে টোটো দাঁড় করানো আইনবিরুদ্ধ নয়। চাঁদা তোলা বা কোনও ঘেরাওয়ের সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই।”

অন্যদিকে , মল কর্তৃপক্ষ মুখ খুলতে নারাজ। সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় তারা বলেন , “এই পরিস্থিতি কেন তৈরি হয়েছে , তা আমরা জানি না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ দেখছেন।”
ইলামবাজারের বিডিও এপ্রসঙ্গে জানান , “এখনও পর্যন্ত কোনও লিখিত অভিযোগ হাতে আসেনি। অভিযোগ পেলে প্রশাসন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবে।”
এদিকে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর অভিযোগ , “ইলামবাজার ব্লকে চাঁদার নামে জবরদস্তি চলছে। একটি বহুজাতিক মল চাঁদা দিতে অস্বীকার করায় তার উপর চাপ তৈরি করতেই এই ঘেরাওয়ের কৌশল। এর ফলে ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। ভবিষ্যতে এই ধরণের ঘটনা বহুজাতিক সংস্থাগুলিকে এলাকা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতে বাধ্য করতে পারে।''
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়