নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - দীর্ঘদিনের সম্পর্কের টানাপোড়েনসহ বিয়ের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগে যুবকের বাড়ির সামনে অবস্থান বিক্ষোভে বসলেন তৃতীয় লিঙ্গের যুবতী। ঘটনাকে ঘিরে তীব্র সামাজিক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে মাথাভাঙা ১ নম্বর ব্লকের নয়ারহাট এলাকায়। শেষ পর্যন্ত বিষয়টির সমাধান কী হবে, সেই দিকেই এখন নজর এলাকাবাসীর।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পানিগ্রামের বাসিন্দা তৃতীয় লিঙ্গের পিঙ্কী বর্মণ (২৩) এবং এলাকার যুবক সজল বর্মণ (২৫)-এর মধ্যে প্রায় ৩ বছর ধরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। পিঙ্কীর দাবি, তাঁর প্রকৃত পরিচয় জেনেই সজল তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান। এমনকি ভবিষ্যতে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে একাধিক জায়গায় একসঙ্গে ঘোরাঘুরিও করেন। ভালোবাসার টানে বিভিন্ন সময়ে ওই যুবককে আর্থিক সহায়তাও করেছিলেন বলে পিঙ্কীর দাবি।

কিন্তু অভিযোগ, পরিবারের চাপে গত কয়েক মাস ধরে সজল ধীরে ধীরে যোগাযোগ কমিয়ে দেন। পাশাপাশি সম্পর্ক অস্বীকার করতে শুরু করেন। বহুবার কথাবার্তার মাধ্যমে পরিস্থিতি মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেও ফল মেলেনি বলে দাবি তাঁর। শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচারের আশায় বুধবার সন্ধ্যায় অভিযুক্ত যুবকের বাড়িতে গিয়ে তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলে সমাধানের চেষ্টা করেন পিঙ্কী।
তবে তাতেও কোনও সুরাহা না হওয়ায় বাধ্য হয়ে সেদিন রাত থেকেই সজলের বাড়ির দরজার সামনে ধর্নায় বসেন তিনি। বিক্ষোভের খবর ছড়িয়ে পড়তেই এলাকায় কৌতূহলী মানুষের ভিড় জমতে শুরু করে। অন্যদিকে তাঁর অবস্থান টের পেয়েই অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা দরজায় তালা ঝুলিয়ে সেখান থেকে সরে যান বলে স্থানীয়দের দাবি। গত ৩ দিন ধরে সেই বন্ধ বারান্দাতেই অনশন অবস্থানে রয়েছেন তিনি।
পিঙ্কী বর্মণ বলেন, 'সজলের কাকিমা আমাকে একবার ঘরে নিয়ে গিয়ে চা-বিস্কুট খাইয়েছিলেন। তারপর থেকে আর কিছু না খেয়ে টানা ৩ দিন ধরে এখানেই অবস্থান করছি। সজল আমাকে অনেক স্বপ্ন দেখিয়েছে, ভবিষ্যতের আশা জাগিয়েছে। আমার একটাই দাবি-আমাকে বিয়ে করে ঘরে তুলতে হবে। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটে গেলে ভালো। তা না হলে এই অনশন চালিয়ে যাব এবং প্রয়োজনে আইনি পথে কঠোর ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব'।
ঘটনা প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা দেবকান্ত বর্মন জানান, 'ছেলের পরিবারের এই আচরণ ঠিক হয়নি। বিয়ে একটি সামাজিক বিষয়। শেষপর্যন্ত তা হবে কি না, সেটা সময় বলবে। তবে উভয় পক্ষের উপস্থিতিতে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করে নেওয়া উচিত ছিল'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়