নিজস্ব প্রতিনিধি , গুজরাত - ইউরোপের একটি শহরে স্থায়ীভাবে মেয়েকে নিয়ে বসবাস করতে চেয়েছিলেন গুজরাতের এক দম্পতি। পর্তুগালের এজেন্টের সঙ্গে কথামত ঘর ছেড়ে সেদেশে রওনা দেওয়ার জন্য বেরিয়েই ঘোর বিপাকে তারা। মাঝপথে লিবিয়া থেকে অপহরণ করা হল দম্পতিকে। ২ কোটি টাকার মোটা মুক্তিপণের দাবি জানিয়েছে অপহরণকারীরা।
সূত্রের খবর , পর্তুগালের এক এজেন্টের সঙ্গে কথা হয় দম্পতির। পর্তুগালে তাদের বসবাসের ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি জানান সেই এজেন্ট।সেই কথা অনুযায়ী, গত ২৯ শে নভেম্বর অহমদাবাদ থেকে দুবাইয়ের বিমানে ওঠেন কিসমতসিংহ চাভদা, হিনাবেন সহ তাদের কন্যা দেবাংশি। সেখান থেকে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় লিবিয়ার বেনগাজি শহরে। অভিযোগ, সেই শহরে পৌঁছোতে পরিবারের তিন সদস্যকে অপহরণ করা হয়। এরপর মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারীরা।
পুলিশ সুপার হিমাংশু সোলাঙ্কি জানিয়েছেন , "কিয়ামতের ভাই পর্তুগালে থাকে। তারাও পর্তুগালে গিয়ে বসবাস করার কথা ভেবেছিল। সেই উদ্দেশ্যে এজেন্টের সঙ্গে কথাও হয় তাদের। তবে মাঝরাস্তায় এইভাবে অপহরণের ঘটনা মানাই যায়না। লিবিয়া থেকে অপহরণকারীদের ফোন আত্মীয়ের কাছে। মোটা মুক্তিপণের দাবি করেছে তারা। এরপরই ঘটনাটা পুলিশকে জানানো হয়। বিদেশ মন্ত্রকের সঙ্গেও কথা হয়েছে। আশা করছি খুব তাড়াতাড়ি ওনাদের উদ্ধার করা হবে।"
বাংলার পরীক্ষার্থীদের শুভেচ্ছাবার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
ইরানে ভারতীয় পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
হলুদ সতর্কতা জারি দিল্লিতে
এমন দৃষ্টান্ত সমাজে আশা জাগায় মনে করিয়ে দেয় মানুষের পাশে মানুষই শেষ আশ্রয়
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা
আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী শুনানি
অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু পুলিশের
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট আপ সাংসদের
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ
ঘটনার তদন্ত শুরু পুলিশের
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা
যোগীর থেকে অনুপ্রেরণা
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় উন্নতি ভারতের
শৈত্যপ্রবাহের লাল সতর্কতা জারি
ইরানে ভারতীয় পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার
অস্থির পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্প হুঙ্কার
নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের
অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মাঝে চরমে ইরান এবং আমেরিকার সংঘাত
যাত্রীদের জন্য অ্যাডভাইজরি জারি বিমান সংস্থাগুলির