নিজস্ব প্রতিনিধি, ঢাকা – মঙ্গলবার সকালে তারাদের দেশে পাড়ি দেন মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাঁর নিথর দেহ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় মোড়ানো। বিএনপি নেত্রীর শেষযাত্রায় মানুষের ঢল।
সূত্রের খবর, বুধবার বেলা ১২টা নাগাদ জাতীয় পতাকায় মোড়ানো গাড়িতে করে খালেদা জিয়ার মরদেহ ঢাকার মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের দিকে এগোচ্ছেন পায়ে হেঁটে বিপুল সংখ্যক মানুষ। ইতিমধ্যেই খালেদার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ঢাকায় পৌঁছেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের সচিব এম ফারহাদ হোসেন।
১৯৪৫ সালের ১৫ আগস্ট অবিভক্ত দিনাজপুরে জন্ম হয়েছিল খালেদা জিয়ার। তাঁর আসল নাম ছিল খানুম পুতুল। বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে বিয়ের পর বেগম খালেদা জিয়া হিসেবে পরিচিতি হন। স্বামীর হাত ধরে রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলেন তিনি। জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর ১৯৮২ সালের ৪ জানুয়ারি বিএনপির সদস্যপদ গ্রহণ করেন খালেদা।
১৯৮৩ সালের মার্চে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ১৯৮৪ সালের আগস্টে বিএনপির চেয়ারপার্সন হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন খালেদা জিয়া। ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ বঙ্গভবনে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের কাছে মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় মহিলা প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছিলেন তিনি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দু দফায় অর্থাৎ, ১৯৯১-১৯৯৬ সাল এবং ২০০১-২০০৬ সাল পর্যন্ত শাসন করেছেন।
তেজস্ক্রিয় বিকিরণ নিয়ে শঙ্কা
মিসাইল হামলা চালানো হয়েছে
ক্ষয়ক্ষতির কথা স্বীকার আমেরিকার
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে যুদ্ধ
নিজেদের বিমানকেই আক্রমণ
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের আঁচ দালাল স্ট্রিটে
উদ্বেগ প্রকাশ ভারতের প্রধানমন্ত্রীর
অপারেশন সিঁদুরে ধ্বংস হয়েছিল পাকিস্তানের বিমানঘাঁটি
ঘাত-প্রত্যাঘাত চলছে পশ্চিম এশিয়ায়
প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি
লেবানন জুড়ে হামলা ইজরায়েলের
খামেনেইয়ের মৃত্যুর বদলা নিতে মরিয়া তেহরান
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আঁধার
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে নিরাপত্তারক্ষীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর