নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - ক্রমবর্ধমান জ্বালানির দাম ও প্রতিদিনের দীর্ঘ যাতায়াত—এই দুইয়ের চাপেই আজকের ভারতীয় কমিউটাররা খুঁজছেন সাশ্রয়ী ও টেকসই সমাধান। সেই বাস্তব চাহিদার উত্তর হিসেবেই বাজারে এসেছে নতুন বাজাজ প্লাটিনা সিএনজি। এটি ভারতের প্রথম গণবাজারভিত্তিক মোটরসাইকেল, যা পেট্রোলের পাশাপাশি সিএনজিতেও চলতে পারে। ফলে একদিকে যেমন জ্বালানি খরচ কমে, অন্যদিকে পরিবেশের ওপর চাপও হ্রাস পায়।

এই বাইকের মূল আকর্ষণ তার দ্বৈত জ্বালানি প্রযুক্তি। ১২৪.৫৮ সিসি সিঙ্গেল সিলিন্ডার, এয়ার-কুলড ইঞ্জিনটি পেট্রোল ও সিএনজি—দু’ভাবেই চলে। হ্যান্ডেলবারে থাকা সুইচের মাধ্যমে সহজেই মোড বদলানো যায় । সিএনজি মোডে বাইকটি প্রায় ৯.৫ পিএস শক্তি ও ৯.৭ এনএম টর্ক উৎপন্ন করে, যা শহরের ট্রাফিক ও দৈনন্দিন যাতায়াতের জন্য যথেষ্ট। সর্বোচ্চ গতি প্রায় ৯০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা, যা কমিউটার সেগমেন্টের জন্য বাস্তবসম্মত।

মাইলেজের দিক থেকে নতুন প্লাটিনা সিএনজি কার্যত নতুন মানদণ্ড স্থাপন করেছে। বাজাজের দাবি অনুযায়ী, সিএনজি মোডে এটি প্রতি কেজিতে প্রায় ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে। এর ফলে অফিসযাত্রী, ডেলিভারি কর্মী বা ফিল্ড এক্সিকিউটিভদের মাসিক জ্বালানি খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। দীর্ঘমেয়াদে এই সাশ্রয় হাজার হাজার টাকার সমান হতে পারে।
ডিজাইনের ক্ষেত্রে বাজাজ পরিচিত প্লাটিনা ধাঁচ বজায় রেখেছে—সহজ, ব্যবহারিক ও আরামদায়ক। লম্বা ও নরম সিট, সোজা রাইডিং পজিশন এবং হালকা ফ্রেমের কারণে ট্রাফিকের ভিড়ে বা সরু রাস্তায় বাইকটি সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। সাসপেনশন ব্যবস্থাও ভারতীয় রাস্তাকে মাথায় রেখে টিউন করা, ফলে গর্ত বা স্পিড ব্রেকারেও রাইড থাকে মসৃণ।

নিরাপত্তার জন্য সামনে ডিস্ক ব্রেক, পেছনে ড্রাম ব্রেক ও সিবিএস (কম্বাইন্ড ব্রেকিং সিস্টেম) দেওয়া হয়েছে। টিউবলেস টায়ার, এলইডি লাইট এবং ডিজিটাল এলসিডি ডিসপ্লে আধুনিকতার ছোঁয়া যোগ করেছে।
প্রায় ₹৯১,১৯৭ (এক্স-শোরুম) দামের এই বাইকটি ইএমআই দিয়ে সহজেই কেনা যায়।আর বাজাজের বিস্তৃত সার্ভিস নেটওয়ার্ক ও কম রক্ষণাবেক্ষণ খরচ দীর্ঘমেয়াদে আরও লাভজনক করে ।
আতঙ্কেই ভুগছেন আমেরিকাবাসী
শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক
মোদির সঙ্গে ফোনালাপের পরই বাণিজ্যচুক্তি
মোদির ভূয়সী প্রশংসা কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
শেয়ার বাজারের উত্থানে আনন্দে আত্মহারা বিনিয়োগকারীরা