নিজস্ব প্রতিনিধি , হুগলী - বাবা মায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যুর পর মেয়ের রহস্যজনকভাবে চলে যাওয়া। ৭ মাসের ব্যবধানে ফাঁকা গোটা পরিবার। ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন বাবা মা। এবার ঘর থেকে উদ্ধার হল মেয়ের মৃতদেহ। তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হুগলীর চন্দননগর এলাকায়।

সূত্রের খবর , গত ৬ই জুন চন্দননগরের বৈদ্যপোতা এলাকায় বাবা মা মেয়ে একসঙ্গে ঘুমের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। ৮৭ বছরের বৃদ্ধা বাবা , ৮৩ বছরের বৃদ্ধা মাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তবে ঘটনাচক্রে বেঁচে যায় মেয়ে। আর্থিক অনটনের জেরেই নিজেদের সাজা দেন তারা। এবার বদ্ধ ঘর থেকে উদ্ধার হল ৪৩ বছর বয়সী শর্মিষ্ঠা দাসের মৃতদেহ। জানালার ফাঁক থেকে প্রতিবেশিরা তাঁর মৃতদেহ দেখতে পায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়।

ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতার আত্মীয় পুলক দাস জানিয়েছেন , "বেশ কয়েকদিন ধরেই শর্মিষ্ঠাকে বাড়ির বাইরে দেখা যাচ্ছিল না। আমি এসে খাবার দিয়ে গেলেও খেতে চাইত না। একসময় আর্থিক দিক থেকেও পরিবারের অবস্থা ছিল ভীষণই ভাল। হঠাৎ এমন হয়ে যাওয়ায় তারা সহ্য করতে পারেনি। মেয়েও চেষ্টা করেছিল নিজেকে শেষ করে দেওয়ার তবে ঠাকুরের আশীর্বাদে বেঁচে যায়। তবে আবার যে এমন কিছু হয়ে যাবে ভাবতে পারিনি।"

ঘটনার পর এক স্থানীয় প্রকাশ দাস জানিয়েছেন, "সকালবেলা হঠাৎই ওর বাড়ির পাশ থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে শুরু করে। এরপর জানালার পর্দা সরিয়ে একজন দেখে মৃতদেহ পড়ে আছে। ওখান থেকেই দুর্গন্ধ বেরোচ্ছিল। দেখে মনে হচ্ছিল বেশ কয়েকদিন আগেই মরে গেছে। এরপর কর্পোরেশনের লোকজন আসে।।পুলিশ এসে দরজা ভেঙে মৃতদেহ উদ্ধার করে। কিভাবে কি হয়ে গেল আমরা বিন্দুমাত্র আন্দাজ পাইনি।"
রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ নাড্ডার
অনুপ্রবেশ সহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে নিশানা নীতিন নবীনের
ছেলের চিন্তায় নাওয়া খাওয়া ভুলেছে গোটা পরিবার
হাসপাতালের বাইরে কান্নায় ফেটে পড়েছে পরিবারের সদস্যরা
প্রায় ৮ বছর আগে ইরানে গেছিল পরিবারের ৫ সদস্য
শুনানিতেও ডাকা হয়েছিল বিধায়ককে
নতুন দলের নাম হচ্ছে আম জনতা পার্টি
অনিশ্চয়তায় দিন গুনছে গোটা পরিবার
কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ বিধায়কের
তালিকা প্রকাশ হতেই ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ
এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে
নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে শাসক শিবির
মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছেন শিবপুরের BLO
আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আহত
ভুক্তভোগীর চিৎকারে প্রতিবেশীরা জড়ো হলেও ততক্ষণে এলাকা ছেড়ে পালিয়েছে দুষ্কৃতীরা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর