নিজস্ব প্রতিনিধি , আগরতলা - প্রায় ১৫ হাজার গাঁজা গাছ ধ্বংস করল যাত্রাপুর থানার পুলিশ সহ বিওপি যৌথ বাহিনী। ৪৮ জনের একটি বিশেষ দল মনুয়া টিলার জঙ্গলে নেশা বিরোধী অভিযান চালায়। জঙ্গলের পাঁচটি আলাদা প্লটে গোপনে চাষ করা হয়েছিল বিশাল আকারের গাঁজার ক্ষেত। মাত্র কয়েক ঘন্টায় নষ্ট হয়ে যায় সমস্ত ক্ষেত। এই অভিযানের মূল উদ্দেশ্য ছিল নেশা মুক্তি সমাজ গঠন।
পুলিশ সূত্রের খবর, আগে থেকেই যাত্রাপুর থানার পুলিশ অনুমান করেছিল মনুয়া টিলার জঙ্গলে নেশা বিরোধী গাঁজা চাষ হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ভোরের আলো ফোটার আগেই ৪৮ জনের একটি বিশেষ দল সহ ওসি সিতি কন্ট বর্ধন, কৈয়া টিলা বিওপির কমান্ড্যান্ট সঞ্জয় হালদার আর নিউ নিদয়ার কমানি কমান্ড্যান্ট দীপঙ্কর সাহা অভিযান শুরু করেন। জঙ্গলের পাঁচটি আলাদা প্লটে গোপনে চাষ করা হয়েছিল বিশাল আকারের গাঁজার ক্ষেত। সেই সব ক্ষেতে আগুন লাগিয়ে দেয় পুলিশবাহিনী। টানা আড়াই ঘণ্টার অভিযান শেষে মোট ১৫ হাজার গাঁজা গাছ কেটে ফেলে আগুনে পুড়িয়ে নষ্ট করা হয়। এরপর সকাল ৯টার দিকে পুরো দল থানায় ফিরে আসে।
ওসি সিতি কন্ট বর্ধন জানিয়েছেন, "বৃহস্পতিবার সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এই অভিযান চালাই। এই অভিযানে এসআই প্রীতম দত্ত, এসআই কাফু রায় দেববর্মা, অমর কিশোর দেববর্মা সহ থানার পুলিশ আর টি.এস.আর জওয়ানরা আমাদের সাহায্য করেন। আমরা প্রায় ১৫ হাজার গাঁজার চারা নষ্ট করি। এই ধরণের কাজ সমাজের জন্য খুবই নিন্দনীয়। যারা এর সঙ্গে যুক্ত আছে তারা যথাযথ শাস্তি পাবে।"
হাসপাতালে ভর্তি তরুণী
মৃতদেহের পকেট থেকে উদ্ধার একটি সুইসাইড নোট
২৭ জনের মাথার দাম ছিল মোট ৬৫ লক্ষ টাকা
দেশজুড়ে তল্লাশি অভিযান দিল্লি পুলিশের
শারীরিক ভাবে অসুস্থ লালু
সত্য বলার ‘অপরাধে’ জম্মুতে ‘বুলডোজার’ শাসন
গণবিবাহে সমাগম হওয়ার কথা প্রায় ২৫ হাজার মানুষের
নেকড়ের হামলায় আতঙ্কে স্থানীয়রা
আতঙ্কে ঘরছাড়া স্থানীয়রা
মোদির মুখে রাম মন্দিরের জয়গান
ট্রাম্প প্রশাসনের তীব্র সমালোচনা জয়শঙ্করের
অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ
সিঁদুরে মেঘ দেখছে দিল্লিবাসী
একাধিক স্কুল, কলেজে ছুটি ঘোষণা
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
হামলার কথা স্বীকার ইজরায়েলের
সতর্কতামূলক পদক্ষেপ এয়ারবাসের
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
বিবৃতি জারি ট্রাম্প প্রশাসনের
আপাত বন্ধ স্কুল-অফিস