নিজস্ব প্রতিনিধি , দক্ষিণ ২৪ পরগণা - ২৬ এর নির্বাচনের আগে ফের উত্তপ্ত ভাঙড়ের রাজনৈতিক ময়দান। আইএসএফে ভোট দিলে রাজ্য সরকারের ঘর-সহ বিভিন্ন প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হতে হবে, প্রকাশ্য সভা থেকে এমনই বিস্ফোরক হুঁশিয়ারি দিলেন ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা। আর তার এই মন্তব্যকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক, পাল্টা আক্রমণে নেমেছে আইএসএফ ও বিজেপি।
ভাঙড় ২ নম্বর ব্লকের ভোগালি ২ নম্বর অঞ্চলের ভুমরু গ্রামে ‘লক্ষ্মী এলো ঘরে’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে একটি সিনেমা প্রদর্শনী সভার আয়োজন করে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লা। সভার মঞ্চ থেকেই তিনি প্রকাশ্যে আইএসএফ কর্মী-সমর্থক ও সাধারণ মানুষকে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যায়। সভামঞ্চ থেকে বিধায়ক শওকত মোল্লা বলেন, ' যদি আপনারা মনে করেন ভোট দেবেন আইএসএফকে আর ঘর দেবে মমতা। তাহলে সেসব দিন ভুলে যান। ভোটের পরে এটা হবে। এখানে বলে যাচ্ছি ভোটের পর বুঝিয়ে দেব আর যদি না বোঝাতে পারি তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দেবো।'
তৃণমূল নেতা আরও বলেন, 'আইএসএফ নেতারা যদি আপনাদের বাড়িতে ভোট চাইতে যায় তাহলে আপনারা জিজ্ঞেস করবেন তো উনাদের বিধায়ক কি উন্নয়ন করেছে এতদিন এলাকায়।? ২৪ ঘণ্টা আমাদের ছেলেরা মাঠে ঘাটে কাজ করছে। আর আইএসএফ নেতারা ঘরে বসে ঘুমোচ্ছে আর বড় বড় কথা বলছে। আগামী নির্বাচনে আপনারা ভাঙড়ে তৃণমূলকে জেতাবেন আর তারপর উন্নয়ন যদি না হয় তাহলে আর কোনোদিন ভোট চাইতে আসবো না।'
এই বক্তব্যের পরই বিরোধীদের তরফে তীব্র প্রতিক্রিয়া আসে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা আইএসএফের জেলা সভাপতি আব্দুল মালেক মোল্লা বলেন, ' শওকত মোল্লা এখন দায়িত্বহীনের মতন কথা বলছে। সাধারণ মানুষের উপর উনি এখন ভরসা রাখতে পারছি না তাই হুমকির আশ্রয় নিতে হচ্ছে। এই হুমকি দিয়ে উনি সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে চাইছে।'
এদিকে গেরুয়া শিবিরের তরফেও কড়া ভাষায় সমালোচনা করা হয়েছে। বিজেপি নেতা দিলীপ হালদার বলেন, 'সম্পূর্ণ পশ্চিমবঙ্গের অরাজকতা চলছে। শুধু ভাঙড় বলে না। সব জায়গাতেই হুমকি দিয়ে কাজ চালাচ্ছে তৃণমূল। ঘর যারা পাচ্ছে তাদের তোলাবাজি করে টাকা নেওয়া হচ্ছে। আর যারা পাচ্ছে না তাদের এরম হুমকি দেওয়া হচ্ছে।'
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়