ল্যান্স নাইক মঞ্জু: ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম নারী স্কাই ডাইভার
ল্যান্স নাইক মঞ্জু, এক সাহসী ও দৃঢ়চেতা সৈনিক, ইতিহাস তৈরি করেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম নারী স্কাই ডাইভার হিসেবে। তিনি ১০,০০০ ফুট উচ্চতা থেকে 'অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (ALH) ধ্রুব' হেলিকপ্টার থেকে লাফ দেন মিসামারি, আসামে। এই স্কাই ডাইভ ছিল তার অ্যাডভেঞ্চার উইং-এর প্রশিক্ষণের অংশ। ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ড তার এই সাহসী কাজের প্রশংসা করেছে এবং বলেছে যে এটি সেনাবাহিনীর অন্য নারীদের জন্য এক বড় অনুপ্রেরণা। মঞ্জুর এই পথচলা প্রমাণ করে, যদি মন থেকে ইচ্ছা থাকে এবং কঠোর পরিশ্রম করা যায়, তাহলে কোনো স্বপ্নই অসম্ভব নয়।
মঞ্জুর জন্ম ও বেড়ে ওঠা হরিয়ানার জিন্দ জেলার একটি ছোট গ্রাম ‘ধামতান সাহিব’-এ। তার বাবা একজন কৃষক। ছোটবেলা থেকেই সে পড়াশোনার পাশাপাশি মাঠে ঘাটে বাবাকে সাহায্য করত। সাধারণ পরিবার থেকে আসা মঞ্জুর জীবন কখনোই সহজ ছিল না। সে যখন উচ্চশিক্ষার জন্য ব্যাঙ্গালুরুতে যায়, তখন সেটা এক বড় পদক্ষেপ ছিল একজন গ্রামের মেয়ের জন্য। আর্থিক সমস্যা আর বাড়ি থেকে দূরে থাকার কষ্ট তাকে থামাতে পারেনি, কারণ তার মনে ছিল সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার স্বপ্ন।
সে ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেয় এবং ১৫ জানুয়ারি ২০১৯ থেকে ৫১ সাব এরিয়া প্রবোস্ট ইউনিটে মিলিটারি পুলিশ হিসেবে তার প্রশিক্ষণ শুরু হয়। ৬১ সপ্তাহের কঠিন প্রশিক্ষণ শেষ করার পর সে আসামে পোস্টিং পায় এবং গোলপাড়ায় সেনাবাহিনীর ইউনিটগুলোর মধ্যে শৃঙ্খলা রক্ষা ও আইন মেনে চলার দায়িত্ব পায়। তার সহকর্মীরা বলে, মঞ্জু একজন "সত্যিকারের যোদ্ধা", যে কোনো চ্যালেঞ্জ থেকে পিছু হটে না।
মঞ্জুর গল্প শুধু রেকর্ড ভাঙার নয়, এটি সীমা ভাঙার, বাস্তব জীবনের সংগ্রামের বিরুদ্ধে লড়াই করার, আর দেখিয়ে দেওয়ার গল্প—কীভাবে সাহস আর মনোবল দিয়ে সবকিছু সম্ভব।
সায়েশা উত্তমচন্দানি তার শিল্পকলা শুরু করেছিলেন এবং কবিতা সবসময় এমন বিষয় নিয়ে ছিল যে বিষয় নিয়ে মানুষ কথা বলা এড়িয়ে যায়।
পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠা থাকলে জীবনে যেকোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব।
ঘোড়ার সঙ্গে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল
ভারতের গর্ব, মানিকা বিশ্বকর্মা, মিস ইউনিভার্স, ২০২৫
ক্যাপ্টেন শ্রদ্ধা শিবদাভকরের সংগ্রাম এবং তার সংকল্প
আরও কড়াকড়ি হবে গ্রিন কার্ড
মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা পাঞ্জাবে
ফের পাকিস্তানকে সতর্কবার্তা ‘মানবিক’ ভারতের
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করার দাবি ট্রাম্পের
গাজার হাসপাতালে হামলায় শোকপ্রকাশ করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী