নিজস্ব প্রতিনিধি, গ্রিনল্যান্ড - ভেনেজুয়েলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নজরে এবার গ্রিনল্যান্ড। সেনা বাহিনীকে ‘বিশেষ’ নির্দেশ দেন ট্রাম্প। এরপর থেকেই আমেরিকা ও ইউরোপের মধ্যে ‘ঠান্ডা লড়াই’ শুরু। ডেনমার্ককে সমর্থন জানিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে গ্রিনল্যান্ডে এসে পৌঁছেছে ইউরোপীয় সেনা। বলাই বাহুল্য, ট্রাম্পের হুঙ্কারকে থোড়াই কেয়ার ইউরোপের।
সূত্রের খবর, ডেনমার্কের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপের একাধিক দেশ। বৃহস্পতিবার থেকে গ্রিনল্যান্ডে সেনা পাঠাচ্ছে ফ্রান্স, জার্মানি, ব্রিট্রেন সহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। এই প্রসঙ্গে তারা জানিয়েছে, সেনা পাঠানোর উদ্দেশ্য ইউরোপীয়দের মধ্যে ঐক্যের চিত্র তুলে ধরা। ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বার্তা পাঠানো যে গ্রিনল্যান্ডের আমেরিকান দখলের প্রয়োজন নেই।
উল্লেখ্য, সেনাবাহিনী ১৯৫২ সালের ‘রুল অফ এনগেজমেন্ট’ অনুযায়ী, বিদেশি সেনা দেখা মাত্রই কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়াই গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। যা এখনও পর্যন্ত কার্যকর রয়েছে বলে জানিয়েছে ডেনমার্কের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আমেরিকাকে কড়া ভাষায় ডেনমার্কের হুঁশিয়ারি, “গ্রিনল্যান্ড আক্রমণ করলে ডেনমার্কের সেনা আগে গুলি চালাবে, পরে কথা হবে।”
বিশ্বের বৃহত্তম দ্বীপ গ্রিনল্যান্ড। ডেনমার্কের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ৩০০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত গ্রিনল্যান্ড। প্রায় ৩০০ বছর ধরে ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহাগেনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। হোয়াইট হাউসের তরফে বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, “বৈদেশিক নীতি সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করছেন প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর টিম। প্রয়োজনে সেনাও নামানো হবে। তার দায়িত্বে থাকবেন কমান্ডার-ইন চিফ।”
মৃত্যুদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে
হাদির মৃত্যুতে গর্জে ওঠেন ওমর
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
দিনভর বৈঠকের পরও একতরফা আসন ঘোষণা জামাতের
পাকিস্তানের মাথাব্যাথার কারণ টিটিপি
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে ইরান
মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১৪২ বছর
ইরানে সেনার নামানোর হুমকি আমেরিকার
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তে ভাইরাল ভিডিও
ট্রাম্পকে খুশি করতে মরিয়া চেষ্টা মাচাদোর
অস্থির পরিস্থিতির মাঝে ট্রাম্প হুঙ্কার
নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত ট্রাম্প প্রশাসনের
অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মাঝে চরমে ইরান এবং আমেরিকার সংঘাত
যাত্রীদের জন্য অ্যাডভাইজরি জারি বিমান সংস্থাগুলির
২৬ বছরের যুবককে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনায় ইরানের আদালত
হাদির মৃত্যুতে গর্জে ওঠেন ওমর
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
দিনভর বৈঠকের পরও একতরফা আসন ঘোষণা জামাতের
পাকিস্তানের মাথাব্যাথার কারণ টিটিপি
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে ইরান