নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - শীত আসছে , কিডনিতে পাথরের আশঙ্কা বেড়ে যায়। শীতের আগমন মানেই শরীর ডিহাইড্রেট হতে শুরু করে। তেষ্টা কমে যায়। আমরা জল কম খেতে শুরু করি। ফলে মূত্র গাঢ় হতে শুরু করে, মূত্রের মধ্যে ক্যালসিয়াম, ইউরিক অ্যাসিডের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই খনিজগুলি ধীরে ধীরে জমে কিডনি, মূত্রনালীতে পাথর সৃষ্টি করে।

এনভারমেন্টাল হেলথ ইনসাইট জার্নালের গবেষণায় দেখা গেছে, শীতে ঘাম কম হওয়ায় শরীরে জল ধরে রাখার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়, ফলে কিডনিতে পাথর সংক্রান্ত সমস্যা দেখা দিতে থাকে। শরীরে জলের ঘাটতি দেখা গেলে কিডনি সহ মূত্রনালীতে পাথর হওয়ার সম্ভবনা বাড়তে থাকে। অতিরিক্ত ডিহাইড্রেশন, সোডিয়াম, প্রোটিন - শরীরে পাথর তৈরি করতে সহায়ক।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু সাবধানতা অবলম্বনের মাধ্যমে কিডনিতে পাথরের মতো রোগ প্রতিরোধ সম্ভব
১. প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ গ্লাস জল পান করা আবশ্যক l তেষ্টা না পেলেও কাজের ফাঁকে, সকালে খালি পেটে জল পান করা শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।
2. অতিরিক্ত তেলেভাজা, ফাস্টফুড, বাইরের খাবার, প্যাকেটজাত খাবার ত্যাগ করা উচিত।
3. ফলের রস খান। শীতকালীন ফলের রস খেলে শরীরে বিভিন্ন ভিটামিনের মাত্রা বজায় থাকবে। জল পানের মাঝে ফলের রস সমান কার্যকরী শরীরের পক্ষে।
4. ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন, নিয়মিত শরীর চর্চা করুন। যোগ ব্যয়াম শারীরিক সুস্থতার অন্যতম উপায়।

রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর