নিজস্ব প্রতিনিধি , কোচবিহার - জেলার উন্নয়নের দাবির পাশাপাশি কেন্দ্র-সহ রাজ্য সরকারের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ তুলে সরব হল ইন্ডিয়ান নেটিভস অ্যাসোসিয়েশন। ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। জনপদের নিজস্ব ইতিহাস ও স্বাধিকার রক্ষার এই লড়াই ইন্ডিয়ান নেটিভস অ্যাসোসিয়েশনের হাত ধরে নতুন মোড় নিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সংগঠনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া এবং আগামী দিনের কর্মসূচি নির্ধারণ করতে রবিবার শহরের রেডক্রস ভবনে একটি সাংগঠনিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। ওই সভা থেকেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি সামনে আনা হয়। সংগঠনের বক্তব্য, এক সময়ের জেলার স্টেট মিলিটারি পুনরায় চালু করতে হবে। পাশাপাশি একটি ডিফেন্স একাডেমি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি। একই সঙ্গে ১৯৪৯ সালের ভারতভুক্তি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী প্রশাসনিক পদক্ষেপ কার্যকর করার আর্জি জানানো হয়।

সংগঠনের অভিযোগ, দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পূর্বে ডিফেন্স একাডেমি গড়ে তোলার আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ সময় কেটে গেলেও সেই প্রতিশ্রুতি এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। তাই এদিনের বৈঠকের মাধ্যমে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসনকে দেওয়া প্রতিশ্রুতির কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানান তাঁরা। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বৃহত্তর গণআন্দোলনের পথে হাঁটার হুঁশিয়ারিও স্পষ্ট করেছেন প্রতিবাদীরা।
এছাড়াও রাজবংশী নেতা তথা বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। নেতৃত্বের অভিযোগ, ভূমিপুত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ হওয়া সত্ত্বেও ব্যক্তিগত স্বার্থে বারবার শাসক দলের সঙ্গে সমঝোতার পথ বেছে নিচ্ছেন তিনি। এর ফলে সম্প্রদায়ের প্রকৃত দাবিগুলি গুরুত্ব হারাচ্ছে। এদিন সমাবেশে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের কর্মী ও নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনের সভাপতি জান্নাতুল হক মণ্ডল বলেন, 'অনন্ত বাবু জেলার ভূমিপুত্র আন্দোলনের অন্যতম মুখ। তবে বর্তমানে তাঁর উদ্দেশ্য নিয়ে আমাদের মধ্যে সংশয় তৈরি হয়েছে। তাঁর তোলা নানা ইস্যুকে ভোটের সময় অনেকেই শুধুই রাজনৈতিক চমক হিসেবে দেখেন। আমাদের উত্থাপিত দাবিগুলি দ্রুত বাস্তবায়িত না হলে আগামী দিনে বৃহত্তর আন্দোলনের পথে হাঁটতে বাধ্য হব'।
অন্য সদস্য তুষার কান্তি রায় জানান, 'সেন্ট্রাল কমিটির পুরোনো কাঠামো ভেঙে নতুনভাবে সংগঠন গড়ে তোলা হয়েছে, তবে উদ্দেশ্য একই। স্বাধীনতার লড়াইয়ে এই অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু ভোট এলেই বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে তেমন অগ্রগতি দেখা যায় না। দ্রুত পদক্ষেপ না হলে সব সম্প্রদায়ের মানুষকে সঙ্গে নিয়ে তীব্র গণআন্দোলনে সামিল হব। প্রয়োজনে নির্বাচনের মাধ্যমেও জবাব দেওয়া হবে'।
সুপ্রিম রায়ে খুশি রথীন ঘোষ
বর্তমানে অবস্থা স্থিতিশীল অবস্থা মিঠুন চক্রবর্তীর
এই ঘটনা চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়
ঘটনায় জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
ঘটনায় অন্তত ৬ জন বিজেপি কর্মী আহত হন
ভোটের মুখে দল ছাড়লেন জলঙ্গীর প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক
এই বিশেষ আসনটিকে ঘিরে জেলার রাজনৈতিক মহলে প্রবল উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে
তবে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে গ্রামবাসী
বিষয়টি ঘিরে বর্তমানে এলাকায় জোর রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে
এমন উদ্যোগে খুশি স্থানীয়রাও
একদিকে শাসক-বিরোধী তরজায় সরগরম অঞ্চল, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ
যদিও গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো সাফাই মেলেনি
ছেলে পবন সিংয়ের হয়ে জনসংযোগে নামেন অর্জুন সিং
ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় এমন নৃশংস খুনের ঘটনায় নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে
বর্তমানে ক্ষোভ কিছুটা কমলেও এলাকায় চাপা আতঙ্ক বিরাজ করছে
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়