নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বর্তমান ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবস্থায় গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় ব্যাংকিং পরিষেবা পৌঁছে দিতে ব্যাংকের CSP (Customer Service Point) একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। CSP-এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা জমা–তোলা, সরকারি ভাতা গ্রহণসহ নানা ব্যাংকিং পরিষেবা সহজে পায়। স্বল্প পুঁজি নিয়ে স্বনিযুক্ত ব্যবসা হিসেবে CSP একটি লাভজনক উদ্যোগ।
কিভাবে শুরু করব - প্রথমে যে কোনো সরকারি বা বেসরকারি ব্যাংকের CSP স্কিম সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট ব্যাংক বা তাদের অনুমোদিত CSP সার্ভিস প্রোভাইডারের ওয়েবসাইট/অফিসে আবেদন করতে হয়। আবেদন গৃহীত হলে ইন্টারভিউ ও ভেরিফিকেশন হয়। সবকিছু ঠিক থাকলে ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে CSP হিসেবে কাজ শুরু করা যায়। একটি নির্দিষ্ট স্থানে ছোট অফিস বা দোকান থাকা জরুরি।
কি কি নথি লাগবে - CSP আবেদন করতে সাধারণত যে নথিগুলি লাগে সেগুলি হলো—
১) আধার কার্ড ও প্যান কার্ড
২) ভোটার আইডি/ড্রাইভিং লাইসেন্স (ঠিকানার প্রমাণ)
৩) পাসপোর্ট সাইজ ছবি
৪) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ক্যানসেল চেক
৫) শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট (ন্যূনতম মাধ্যমিক/উচ্চমাধ্যমিক)
৬) দোকান বা ব্যবসার ঠিকানার প্রমাণ
আনুমানিক খরচ - CSP শুরু করতে আনুমানিক ২০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা খরচ হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে কম্পিউটার/ল্যাপটপ, প্রিন্টার, বায়োমেট্রিক ডিভাইস, ইন্টারনেট সংযোগ, ফার্নিচার ইত্যাদি। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংক বা সার্ভিস প্রোভাইডার আংশিক সহায়তাও দিয়ে থাকে। কিছু ক্ষেত্রে ব্যাংকে সিকিউরিটি ডিপোজিট বাবদ 50000 টাকা জমা রাখতে হয়।
সাহায্য কিভাবে পাব - ব্যাংকের CSP ডিপার্টমেন্ট বা অনুমোদিত সার্ভিস প্রোভাইডারদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণ ও টেকনিক্যাল সাপোর্ট পাওয়া যায়। এছাড়া ব্যাংকের ব্রাঞ্চ ম্যানেজার ও জেলা কো-অর্ডিনেটরের সহায়তায় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। অনলাইন হেল্পডেস্কও অনেক সময় কার্যকর ভূমিকা রাখে।
লাভ কেমন - CSP-তে প্রতিটি লেনদেনের উপর কমিশন পাওয়া যায়। অ্যাকাউন্ট খোলা, টাকা জমা–তোলা, DBT/সরকারি ভাতা বিতরণ, বিমা ও পেনশন স্কিমের মাধ্যমে মাসে গড়ে ১০,০০০ থেকে ৩০,০০০ টাকা বা তার বেশি আয় করা সম্ভব। এলাকাভেদে ও লেনদেনের পরিমাণ অনুযায়ী লাভ বাড়তে পারে।
ব্যাংকের CSP একটি সামাজিকভাবে উপকারী ও লাভজনক স্বনিযুক্ত ব্যবসা। সঠিক পরিকল্পনা, স্বচ্ছতা ও ভালো পরিষেবার মাধ্যমে অল্প পুঁজিতে স্থায়ী আয়ের সুযোগ তৈরি করা যায়। এই ব্যবসায় আসতে গেলে অন্যান্য দক্ষতার সাথে সততা অবশ্যই প্রয়োজন । বর্তমানে গ্রামীণ এলাকায় এটি কর্মসংস্থানের একটি ভাল মাধ্যম ।
দীর্ঘ ই-মেলের সারাংশ এক নজরে দেখিয়ে পড়ার সময় ও ঝামেলা দুটোই কমাবে
এর ফলে স্বচ্ছতা বাড়বে, জালিয়াতি কমবে বলেই মনে করছে শিক্ষা মহল
সময়ের মধ্যে আবেদন করে শিক্ষাবৃত্তির সুবিধা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন শিক্ষা দফতর
অল্প পুঁজিতে লাভজনক ব্যবসার নতুন দিশা—নার্সারি গড়ে ঘর থেকেই শুরু করুন নিশ্চিত আয়ের পথ।
ভারতে সরকারি স্কুলে শিক্ষকতার স্বপ্ন পূরণ করতে CTET, TET, রাজ্যভিত্তিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ও সংশ্লিষ্ট বোর্ডের সিলেকশন টেস্ট উত্তীর্ণ হতে হয়
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো