নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকে নিজেদের দাবি স্পষ্ট করে জানাল বিরোধী দলগুলি। এক দফায় ভোট করানোর দাবি জানাল সিপিএম নেতৃত্ব। নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের ভূমিকা এবং SIR ইস্যুতে ক্ষোভও প্রকাশ করলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম।
সোমবার কমিশনের ফুল বেঞ্চের সঙ্গে বৈঠকে বসেন রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলি। এই বৈঠকে কমিশনের কাছে একের পর এক নিজেদের দাবি পেশ করেন রাজনৈতিক দলগুলি। বৈঠকে অংশ নিয়ে সিপিএম প্রতিনিধিদল জানায়, তারা চায় এক দফায় ভোট হোক। তবে সর্বোচ্চ দুদফায় নির্বাচন হলেও তাদের আপত্তি নেই। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মহম্মদ সেলিম বলেন, ' আমরা জানতে চেয়েছি কমিশন একটা ভোটার তালিকা তৈরি করতে গিয়ে মানুষকে শত্রু বানাল কেন? মানুষের বিরুদ্ধে কেন যুদ্ধ ঘোষণা করল? কেন নির্বাচন কমিশন হয়ে গেল নির্যাতন কমিশন?'
অন্যদিকে, বৈঠকে উপস্থিত কংগ্রেসের প্রতিনিধিরাও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের দাবিতে সরব হন। কংগ্রেস নেতা প্রদীপ ভট্টাচার্য বলেন, 'এক দফা হোক, দুদফা হোক, তিন দফা হোক আমরা চাই নিরাপত্তা। নিরপেক্ষ ভাবে ভোট হবে, তা কমিশন নিশ্চিত করুক। এক দফায় ভোট হলে আমরা খুশি হব। কিন্তু নিরাপত্তাই অগ্রাধিকার। কমিশনকে পরিষ্কার করে জানিয়ে এসেছি।'
যদিও কি কারণে এই তল্লাশি অভিযান সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি
রাজ্যসভার সচিবকে চিঠি বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের
শুক্রবার ভোর থেকে সক্রিয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা
অভিযান ঘিরে বিক্ষোভে সামিল তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা
কমিশনের বিরুদ্ধে অসন্তোষ প্রকাশ করেন শমীক ভট্টাচার্য
বৃহস্পতিবার ধৃত আইনজীবীকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ করা হয়
আদালতের নির্দেশে খুশির হাওয়া তৃণমূলে
ভোটের মুখে বড় চাল বিজেপির
SIR এ ১৪২ ধারায় বিশেষ নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের
ভোটারদের নিরাপত্তায় জেলায় জেলায় টহলদারি পুলিশের
কমিশনের বক্তব্যে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে
রাজ্যবাসীর মঙ্গল কামনা মুখ্যমন্ত্রীর
ব্রাত্য বসুর মন্তব্য ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বির্তক
২৪ এপ্রিল যাদবপুর থেকে গড়িয়াহাট পর্যন্ত পদযাত্রার ঘোষণা করলেন তৃণমূল নেত্রী
নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়