টিভি 19 এক্সক্লুসিভ , কলকাতা - রাজনীতি শব্দটাই শুনলেই আজকাল যেন মানুষ কেমন মুখ ভেঙেচে চলে যায়। কিন্তু কেন? এর দায় কার? যারা মুখ ভেঙচে চলে যায় তাদের? নাকি প্রত্যেক নির্বাচন আসলেই গালভরা প্রতিশ্রুতি দেওয়া নেতাদের? এই নিয়ে গোটা একটা স্লোগানও তৈরি হয়ে গেল 'ভোট শেষ প্রচারও শেষ'।কী আশ্চর্য না! তবে ব্যাতিক্রমও কিন্তু হয়। ঠিক যেমনটা করে দেখিয়ে ছিলেন আম আদমি পার্টি। দুর্নীতি , দুর্নীতি আর দুর্নীতিতে নিমজ্জিত শীলা দীক্ষিতকে ক্ষমতাচ্যুত করে দল গঠনের ১ বছরের মধ্যেই দিল্লির মসনদে বসেছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তারপর যমুনায় বয়ে গেছে অনেক জল।
তবে এবার বাংলার পালা। নামটা শুনলেই সবার প্রথমেই মনে আসবে একগুচ্ছ সন্মান আর ভক্তি। নতুন বাংলা নয় কবিগুরুর দেখানো 'সোনার বাংলা' গড়তে আসছে 'শিক্ষা সমৃদ্ধি পার্টি'। যার অন্যতম রূপকার অভিমন্যু শান্ডিল্য আর ২ অন্যতম সঙ্গী অর্থাৎ দলের সম্পাদক শাহ আলম মোল্লা ও দলের মুখপাত্র শুভব্রত রায়। জন্মলগ্ন থেকেই যেভাবে ছক কষে এগোচ্ছে এই শিক্ষা সমৃদ্ধি পার্টি , তাতে আগামী বিধানসভা নির্বাচনে বড়ো চমক শুধু সময়ের অপেক্ষা। বাংলায় বর্তমানে যেসব মন্ত্রীরা আছেন তারা তাদের নিজের দফতরের নাম লিখতেই হোঁচট খাচ্ছেন , ভাবলেই গাঁ শিউরে উঠবে কাদের মন্ত্রী বানিয়েছে রাজ্যবাসী। এই দুঃস্বপ্ন হয়তো এবার কাটবে। বাংলা দখলের ডাক দেওয়া 'শিক্ষা সমৃদ্ধি পার্টি'র এই মূল ৩ নেতার শিক্ষাগত যোগ্যতা দেখনে যেমন চোখ কপালে উঠবে ঠিক তেমন আশ্চর্যও হওয়ার মতো তাদের বিনম্রতা , যা নেতাদের কাছে অতি বিরল। তবে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা বাংলায় পালাবদলের।
ইতিমধ্যেই নিজের দল নিয়ে একেরপর এক হুঙ্কার ছেড়েছেন শিক্ষা সমৃদ্ধি পার্টির রূপকার অভিমন্যু শান্ডিল্য। তার দাবি , বাংলায় বহু বছর তো নতুন কোনও নেতাই তৈরি হয়নি। শুধু বোতলের মদ অদলবদলের মতো হয়। নেতা একই থাকে দলটা বদলে যায়। তাতে ক্ষতি তো সেই রাজ্যবাসীই হচ্ছে। এইভাবে বাংলা 'রাজনৈতিক বৃদ্ধাশ্রমে পরিণত হয়েছে'। এখন সময় এসেছে বাংলাবাসীর তাজা নেতা বেছে নেওয়ার। কখনও আর্থিক দুর্নীতি তো কখনও চাকরি দুর্নীতি , আর কত সইবে বাংলা? এবার সময় এসেছে ঘুরে দাঁড়ানোর। কথাতেই আছে - আভি নেহি তো ক্যাভি নেহি।
হাদির মৃত্যুতে গর্জে ওঠেন ওমর
হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে
দিনভর বৈঠকের পরও একতরফা আসন ঘোষণা জামাতের
পাকিস্তানের মাথাব্যাথার কারণ টিটিপি
গত ২৮ ডিসেম্বর থেকে বিদ্রোহের আগুনে জ্বলছে ইরান