68e529bdaeb71_IMG-20251007-WA0294
অক্টোবর ০৭, ২০২৫ রাত ০৮:২৫ IST

মুলোয় কমে কিডনি স্টোনের ঝুঁকি , জেনে নিন কিভাবে

নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - কিডনি স্টোনের সমস্যায় ভুগছেন এখন অনেকেই। এটা কোনো নতুন সমস্যা নয়। তবে অপরেশন ছাড়া এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়না। তবে একটি সব্জি খেলে আগে থেকে নিজেকে সতর্ক রাখা যায়। মুলো বাজারে সেইভাবে কদর না পেলেও , কিডনি স্টোনের সমস্যা ছড়াতে সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করে। তামিলনাড়ুর আন্নামালাই বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় তার প্রমাণও মিলেছে।

অন্য একটি গবেষণায় আবার ৩৬ জন প্রাপ্তবয়স্ককে নিয়মিত সাদা মুলো খাওয়ানোর পরে দেখা গেছে তাঁদের প্রস্রাবে ক্যালশিয়াম অক্সালেট বেরিয়েছে বেশি। কিডনিতে এই ক্যালশিয়াম অক্সালেট জমলেই স্টোন বা পাথরের মতো জিনিস তৈরি হয়। নেপাল মেডিক্যাল কলেজের ওই গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যাঁরা মূলো খাননি, তাঁদের প্রস্রাবে ক্যালশিয়াম অক্সালেট বেরিয়েছে কম। তাই গবেষকেরা বলেছেন , মুলো খেলে কিডনি থেকে ক্যালশিয়াম অক্সালেট বেরিয়ে যাবে। ফলে স্টোন হওয়ার আশঙ্কাও কম।

কিডনি স্টোন আটকাতে মুলোর উপকারিতা -

১.মুলোয় রয়েছে ডাইইউরেটিক উপাদান। যা বেশি প্রস্রাব তৈরি করে। ফলে রেচন প্রক্রিয়ায় শরীর থেকে নানা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। বেরিয়ে যায় অতিরিক্তি খনিজ পদার্থও, যা কিডনিতে স্টোন তৈরির কারণ হতে পারে।

২.এছাড়াও মুলো হজমে সাহায্য করে। হজমশক্তি ভাল হলে খাবারের মাধ্যমে শরীরে যাওয়া খনিজ ভেঙে যায়। ফলে তা কিডনিতে গিয়ে জমা হয় না।

৩.মুলোয় জলের পরিমাণ অনেক বেশি। তাই নিয়মিত মূলো খেলে শরীর ভিতর থেকে আর্দ্র থাকে। যা বহু রোগ দূরে রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া  ত্বক, চুল ভাল রাখে।

৪.মুলোর রস নিয়মিত খেলে তা ক্যালশিয়াম অক্সালেট ভাঙতেও সাহায্য করে। ছোট ছোট পাথর প্রস্রাবের মাধ্যমেই শরীর থেকে বার করে দেয়।

৫.লিভার সহ গলব্লাডারকে সুস্থ রাখে মুলো। লিভার সুস্থ থাকলে শরীরে খনিজের ভারসাম্য বজায় থাকে। ফলে খনিজ জমে কিডনি স্টোন তৈরির ঝুঁকি কমে।