মানিকা বিশ্বকর্মা, রাজস্থানের শ্রীগঙ্গানগরের ২২ বছর বয়সী এক কন্যা, জয়পুরে অনুষ্ঠিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া ২০২৫-এর মুকুট অর্জন করেন। এক গর্বিত ভারতীয় সেনাবাহিনী পরিবারে বেড়ে ওঠা মানিকার শৈশব কেটেছে শৃঙ্খলা, মানিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা এবং দেশের প্রতি গভীর কর্তব্যবোধে। তাঁর পিতা একজন সেনা অফিসার হওয়ায়, তিনি দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট শহরে বসবাস করেছেন ও আর্মি পাবলিক স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। এই অভিজ্ঞতা তাঁকে করেছে সংস্কৃতিবান, সহানুভূতিশীল ও আত্মবিশ্বাসী। বর্তমানে দিল্লিতে রাষ্ট্রবিজ্ঞান ও অর্থনীতিতে স্নাতক স্তরের পড়াশোনার শেষ বর্ষে রয়েছেন মানিকা। পড়াশোনার পাশাপাশি, তিনি একজন প্রশিক্ষিত শাস্ত্রীয় নৃত্যশিল্পী এবং পুরস্কারপ্রাপ্ত চিত্রশিল্পী, যাঁর শিল্পকর্ম ললিত কলা একাডেমি ও জে.জে. স্কুল অব আর্টসের মতো প্রতিষ্ঠানে স্বীকৃতি পেয়েছে। সৌন্দর্য এবং সংস্কৃতির এক অপূর্ব সংমিশ্রণ তিনি।
প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে বিউটি পেজেন্টের মঞ্চে পা রাখার এই যাত্রা শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং লক্ষ্য ও আবেগের প্রতিফলন।মানিকা নিউরোনোভা নামক একটি উদ্যোগের প্রতিষ্ঠাতা, যা নিউরোডাইভারজেন্স বা স্নায়বিক বৈচিত্র্য সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করে, বিশেষত ADHD ও অটিজমের মতো বিষয়কে ঘিরে। তাঁর নিজের জীবনের বহুবিধ পরিবর্তন ও চ্যালেঞ্জ থেকেই গড়ে উঠেছে অন্যদের প্রতি সহমর্মিতা। ফাইনালে, নারীদের শিক্ষার মাধ্যমে দারিদ্র্য চক্র ভাঙার শক্তি নিয়ে তাঁর স্পষ্ট ও বলিষ্ঠ উত্তর বিচারকদের হৃদয় ছুঁয়ে যায় এবং তাঁকে বিজয়ী করে তোলে। সেনা-জীবনের কঠোর অনুশাসনের মধ্যে গড়ে ওঠা মানিকার আত্মনিয়ন্ত্রণ এবং সমাজ সচেতন মনোভাব তাঁকে এক আধুনিক নারী-আদর্শ হিসেবে তুলে ধরে।
এবার তিনি ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন মিস ইউনিভার্স ২০২৫-এ, যা অনুষ্ঠিত হবে থাইল্যান্ডে। এটি শুধুমাত্র একটি শিরোপা নয়, বরং এক সাহসী, সংবেদনশীল ও চিন্তাশীল নারীর সৌন্দর্যবোধ এবং সামাজিক নেতৃত্বের প্রতীক। বিচারকরা প্রশংসা করেছেন তাঁর মেধা, নৈতিকতা ও সৌন্দর্যবোধের মিশ্রণকে — একজন এমন ভারতীয় নারী হিসেবে, যিনি ঐতিহ্যে বিশ্বাসী, কিন্তু নতুন চিন্তাধারায় দৃঢ়। সকালবেলা জাতীয় পতাকার প্রতি স্যালুট জানানো থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য মঞ্চে ভারতের প্রতিনিধিত্ব — মানিকা বিশ্বকর্মার এই যাত্রা প্রমাণ করে, একটি মুকুট কেবল বাহ্যিক সৌন্দর্যের প্রতীক নয়; এটি আত্মবিশ্বাস, দায়িত্ববোধ ও নিষ্ঠার এক উজ্জ্বল প্রতিফলন।
সায়েশা উত্তমচন্দানি তার শিল্পকলা শুরু করেছিলেন এবং কবিতা সবসময় এমন বিষয় নিয়ে ছিল যে বিষয় নিয়ে মানুষ কথা বলা এড়িয়ে যায়।
পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠা থাকলে জীবনে যেকোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব।
ল্যান্স নাইক মঞ্জু, এক সাহসী ও দৃঢ়চেতা সৈনিক
ঘোড়ার সঙ্গে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল
ক্যাপ্টেন শ্রদ্ধা শিবদাভকরের সংগ্রাম এবং তার সংকল্প
আরও কড়াকড়ি হবে গ্রিন কার্ড
মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা পাঞ্জাবে
ফের পাকিস্তানকে সতর্কবার্তা ‘মানবিক’ ভারতের
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করার দাবি ট্রাম্পের
গাজার হাসপাতালে হামলায় শোকপ্রকাশ করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী