"ভয়কে আমরা জয় করতে পারি প্রস্তুতি, জ্ঞান এবং কাজের মাধ্যমে। আমাদেরকে নিজের ভয়ের মুখোমুখি হতে হয়, তবেই জানা যায় সামনে কী আছে।"
এই অনুপ্রেরণামূলক কথাগুলো বলেছেন কর্নেল মেঘনা দভে, যিনি গত ২৩ বছর ধরে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কর্মরত। মধ্যপ্রদেশের জবলপুর শহরের বাসিন্দা মেঘনা ছোটবেলাতেই তাঁর বাবাকে হারান—তিনি ছিলেন সেনাবাহিনীর সিগন্যাল কোরের একজন অফিসার। বাবার ছবি আর ইউনিফর্মই তাঁর জীবনের প্রথম অনুপ্রেরণা হয়। তখন নারীরা সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে পারতেন না, তবুও তিনি স্বপ্ন দেখতে শুরু করেন। তিনি স্কুল ও কলেজে NCC-তে যোগ দেন এবং পড়াশোনার শেষ বছরে SSB পরীক্ষায় প্রথম চেষ্টাতেই সফল হন। তিনি বাণিজ্যে স্নাতক এবং মানবসম্পদ ও লজিস্টিক্স ম্যানেজমেন্টে MBA করেছেন। তাঁর মা-ই ছিলেন তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি, যিনি বাবার অনুপস্থিতিতে দুই মেয়েকে সাহস ও শক্তির সাথে বড় করেছেন।
কর্নেল দভে ভারতের নানা প্রান্তে ইউনিটের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি দেশের পূর্বাঞ্চলে একটি লজিস্টিক ও ট্রান্সপোর্ট ব্যাটালিয়নের কমান্ড করছেন। ২০২৩ সালে তিনি পূর্ব কমান্ডের সুকনায় ASC ইউনিটের কমান্ড নেওয়া প্রথম মহিলা হন—এই এলাকাটি দুর্গম পাহাড়ি ও জঙ্গলের জন্য পরিচিত। তাঁর দলে খাদ্য, গোলাবারুদ, জ্বালানির মতো গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রী সংগ্রহ ও পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব থাকে। সেনাবাহিনীর কাজ মানে শুধু যুদ্ধ নয়, বরং কঠিন পরিস্থিতিতে কাজ করাও। কখনও –২৫ ডিগ্রি ঠান্ডা, কখনও ৪৫ ডিগ্রির গরমে কাজ করতে হয়। কিন্তু তাঁরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই সব সামলে নিতে শেখেন। মেঘনার নিজের শক্তি আসে শুধু ট্রেনিং থেকে নয়, বরং তাঁর সন্তানদের কাছ থেকেও। যখনই তিনি কিছু নিয়ে ভয় পান, তখন তাঁর ছেলে-মেয়ের কথা মনে পড়ে—তারা বলে, “মা, তুমি পারবে”—এই কথাগুলোই তাঁকে সাহস দেয়
তাঁর মতে, আসল শক্তি আসে প্রস্তুতি, জ্ঞান, ও দায়িত্ববোধ থেকে। একজন ভালো সেনা অফিসার হতে হলে শারীরিকভাবে ফিট থাকতে হয়, মানসিকভাবে দৃঢ় থাকতে হয়, এবং সব সময় নিজেকে আপডেট রাখতে হয়। সামনে থেকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং নিজের দলের সেনাদের গাইড করা তাঁর জীবনের সবচেয়ে তৃপ্তিদায়ক কাজগুলোর একটি। আজকের মেয়েদের উদ্দেশ্যে তাঁর বার্তা—বড় স্বপ্ন দেখো, মন দিয়ে চেষ্টা করো, এবং কঠোর পরিশ্রম করো । ১৯৯২ সালে সেনাবাহিনী নারীদের জন্য দরজা খুলে দেওয়ার পর অনেক নারী আজ দেশের সেবা করছেন। ভারতের ৭৮তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ফেমিনা এমনই দশজন সাহসী নারী অফিসারের কথা তুলে ধরেছে, যাঁদের মধ্যে কর্নেল মেঘনা দে একজন। তাঁরা সবাই আমাদের প্রেরণা এবং গর্ব।
"পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠা থাকলে জীবনে যেকোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব।"
সায়েশা উত্তমচন্দানি তার শিল্পকলা শুরু করেছিলেন এবং কবিতা সবসময় এমন বিষয় নিয়ে ছিল যে বিষয় নিয়ে মানুষ কথা বলা এড়িয়ে যায়।
ল্যান্স নাইক মঞ্জু, এক সাহসী ও দৃঢ়চেতা সৈনিক
ঘোড়ার সঙ্গে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল
ভারতের গর্ব, মানিকা বিশ্বকর্মা, মিস ইউনিভার্স, ২০২৫
ক্যাপ্টেন শ্রদ্ধা শিবদাভকরের সংগ্রাম এবং তার সংকল্প
আরও কড়াকড়ি হবে গ্রিন কার্ড
মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা পাঞ্জাবে
ফের পাকিস্তানকে সতর্কবার্তা ‘মানবিক’ ভারতের
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করার দাবি ট্রাম্পের
গাজার হাসপাতালে হামলায় শোকপ্রকাশ করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী