নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - চোখের একটি বিরল জিনগত রোগ এখন চিকিৎসকদের বিশেষ উদ্বেগের কারণ। ‘রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা’ নামের এই রোগে শিশু থেকে তরুণ অনেকেই আক্রান্ত হতে পারেন। দৃষ্টিশক্তি ধীরে ধীরে কমতে থাকে। অনেক ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত সম্পূর্ণ অন্ধত্ব নেমে আসে।
সম্প্রতি ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ‘ব্লিঙ্ক’ তথ্যচিত্র প্রকাশের পর এই রোগটি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। কানাডার এক দম্পতির তিন সন্তানই এই রোগে আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞদের মতে, তরুণদের অন্ধত্বের অন্যতম বড় কারণ এটি। জিনগত ত্রুটির কারণে চোখের রেটিনার আলো শনাক্তকারী কোষ ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যায়।
রেটিনাইটিস পিগমেন্টোসা কী?
এটি একটি জিনগত ক্ষয়জনিত চোখের রোগ। এই রোগে রেটিনার রড আর কোন কোষ ধীরে ধীরে নষ্ট হতে থাকে। ফলে চোখ থেকে মস্তিষ্কে সঠিক সংকেত পৌঁছাতে সমস্যা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে শৈশব অথবা কৈশোরেই এর লক্ষণ দেখা দেয়।
রোগের প্রধান লক্ষণ
প্রথমে অন্ধকারে অথবা কম আলোতে দেখতে অসুবিধা হয়। এরপর ধীরে ধীরে চারপাশের দৃষ্টিশক্তি কমে যেতে থাকে। অনেকের কাছে সবকিছু টানেলের ভিতর দিয়ে দেখার মতো মনে হয়। রোগ বাড়লে সামনের জিনিসও স্পষ্ট দেখা যায় না।
চিকিৎসা কী?
এই রোগের স্থায়ী নিরাময় এখনও নেই। তবে নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে জিন থেরাপি ভালো ফল দিচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শে ভিটামিন এ ব্যবহার করা হতে পারে। পাশাপাশি স্টেম সেল থেরাপি আর কৃত্রিম রেটিনা নিয়ে গবেষণা চলছে, যা ভবিষ্যতে নতুন চিকিৎসার আশা দেখাচ্ছে।
বিদেশি ডেটিং সংস্থার নতুন পদ ঘিরে চর্চা
বৃষ্টির জল, স্যাঁতস্যাঁতে আবহাওয়া, ভুল যত্নে দ্রুত নষ্ট হতে পারে চামড়ার জুতো
দূষিত খাবার কিংবা পানীয় জল থেকেই বাড়ছে বেশিরভাগ সংক্রমণ
সপ্তাহের থেকেই রুটিনে আনুন সামান্য পরিবর্তন, সুস্থ জীবনের জন্য দিলেন সহজ কিছু পরামর্শ
জলবণ্টন চুক্তি কার্যকর না হলে কঠোর প্রতিক্রিয়ার হুঁশিয়ারি ইসলামাবাদের
‘অপারেশন আমিস্তাদ’-এর আওতায় ভেনেজুয়েলায় পৌঁছল ভারতীয় সাহায্য, তৈরি করা হল অস্থায়...
নিজেদের মধ্যেই মিটমাট করে নেওয়ায় মামলা তুলে নেওয়া হয়
বিলের বিরোধিতা করতে গিয়ে নিজের বক্তব্য পেশ করতে পারেননি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়
হরিয়ানা-রাজস্থানের দীর্ঘ টানাপোড়েনের ইতি! অমিত শাহের উপস্থিতিতে স্বাক্ষরিত সমঝো...