নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - শরীরের অন্যান্য অংশের মতো কানেও ক্যানসার হতে পারে, যদিও এই রোগ অত্যন্ত বিরল। কিন্তু বিরল বলেই অনেক সময় বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয় না। সাধারণ কানের ব্যথা ভেবে অবহেলা করলে পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার নিতে পারে ,সতর্ক করছেন চিকিৎসকেরা।বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, দূষণ, অতিরিক্ত সূর্যালোকের সংস্পর্শ , সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।সময়মতো রোগ নির্ণয় না হওয়াই কানের ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।

চিকিৎসকদের দাবি, ওষুধ বা ইয়ার ড্রপ ব্যবহার করার পরও যদি কানের ব্যথা বারবার ফিরে আসে, তবে সেটিকে হালকাভাবে নেওয়া একেবারেই উচিত নয়। এটি কানের ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে তীব্র ও অসহ্য ব্যথা হলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। অনেক ক্ষেত্রে কানের বাইরের অংশে ত্বকের ক্যানসার হিসেবে রোগের শুরু হয়। পরে তা ধীরে ধীরে কর্ণনালী বা মধ্যকর্ণে ছড়িয়ে পড়বে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কানের ক্যানসারের অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে রয়েছে—
৹ কান থেকে রক্তপাত
৹ অস্বাভাবিক রঙের তরল বা পুঁজ বের হওয়া
৹ শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া
৹ কানে একটানা ভোঁ ভোঁ শব্দ
৹ দীর্ঘদিন কানে অস্বস্তি
রোগের তীব্রতা বাড়লে শরীরের অন্যান্য অংশেও প্রভাব পড়তে পারে। কিছু ক্ষেত্রে চুল পড়ার মতো সমস্যাও দেখা যায়।
১. চিকিৎসকদের স্পষ্ট পরামর্শ, কানের মোমের রঙে পরিবর্তন, দীর্ঘদিন ব্যথা বা অস্বাভাবিক উপসর্গ থাকলে ঘরোয়া চিকিৎসা বা নিজে নিজে ওষুধ ব্যবহার না করে দ্রুত ইএনটি বিশেষজ্ঞের কাছে যেতে হবে।

২. সময়মতো রোগ ধরা পড়লে অস্ত্রোপচার বা রেডিওথেরাপির মাধ্যমে কানের ক্যানসার অনেক ক্ষেত্রেই নিরাময়যোগ্য। দেরি হলে ঝুঁকি বাড়ে বহুগুণ।
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর