রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়- ঘি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে এবং যেকোনো ঋতুতে ঠান্ডা ও ফ্লু থেকে রক্ষা করে। ঘিতে ভিটামিন এ, ডি, ই এবং কে এর পাশাপাশি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এর পাশাপাশি এতে পাওয়া পুষ্টিগুণ বিভিন্ন ধরনের রোগের বিরুদ্ধে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
হজমে উন্নতি -
ঘি হজমের জন্য সেরা বলে বিবেচিত হয়। কারণ এটি পরিপাকতন্ত্রকে লুব্রিকেট করতে সাহায্য করে। ঘি অন্ত্রে স্বাস্থ্যকর ব্যাকটেরিয়া বাড়াতে সাহায্য করে, যা হজমে সাহায্য করে এবং যা শরীরে পুষ্টি বাড়ায়। এটি কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো বদহজমের লক্ষণগুলি দূর করতেও সহায়ক।
মেটাবলিজম বাড়ায়-
ঘি সেবন আপনার মেটাবলিজম বাড়ায় এবং শরীর থেকে খারাপ চর্বি দূর করে। কারণ ঘিতে ফ্যাটি অ্যাসিড (MCFAs) থাকে যা সহজেই শরীর দ্বারা শোষিত হয় এবং শরীরে শক্তি যোগায়। এটি ওজন কমাতেও সাহায্য করে।
ঘি স্মৃতিশক্তি বাড়ায় -
ঘি খেলে ব্রেন তীক্ষ্ণ হয় এবং স্মৃতিশক্তি শক্তিশালী হয়। এটি স্মৃতিশক্তি, একাগ্রতা, ফোকাস এবং সিদ্ধান্ত নেওয়ার দক্ষতার মতো ক্ষমতার উন্নতিতে সহায়তা করে। এছাড়াও, ঘিতে অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে যেমন ওমেগা 3 যা ভাল মানসিক স্বাস্থ্য এবং ভাল মেজাজের সঙ্গে যুক্ত।
ঘি ভিটামিন সমৃদ্ধ -
A, D, E এবং K2 সহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিনে সমৃদ্ধ ঘি। ভিটামিন এ, ভিটামিন ডি হাড়কে মজবুত করে, ভিটামিন ই কোষকে ফ্রি র্যাডিক্যালের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে এবং ভিটামিন K2 সুস্থ হাড় ও দাঁতের জন্য আপনার সারা শরীরে ক্যালসিয়াম পরিবহনে সাহায্য করে।
ঘি আয়রন সমৃদ্ধ -
ঘিতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং আয়রন যা যেকোনো ঋতুতে স্বাস্থ্যকর হাড়, ত্বক ও চুল বজায় রাখতে সাহায্য করে। এটি রক্তশূন্যতার মতো রোগ থেকেও রক্ষা করে। তাই ঋতু যাই হোক না কেন প্রতিদিন ঘি খাওয়া উচিত। ঘি শুধু আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতিই করে না খাবারের স্বাদও বাড়ায়।
কতটা ঘি খাবেন?
একজন সাধারণ প্রাপ্তবয়স্ক সুস্থ মানুষের দিনে এক থেকে দুই চামচ ঘি খাওয়া উচিত। যেখানে শিশুদের দুই থেকে তিন এবং বড়দের এক চামচ খাওয়া উচিত। তবে মনে রাখবেন, কোনো স্বাস্থ্যকর জিনিস যদি অস্বাস্থ্যকর উপায়ে বা ভুল পরিমাণে খাওয়া হয়, তাহলে তার পরিণতিও স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ হবে। ঘি এর ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। কোন কিছু খাওয়ার আগে একজন ব্যক্তির তার ডোজ জেনে নেওয়া উচিত। ঘি এর ক্ষেত্রেও এই ধরনের কয়েকটি বিষয়ের যত্ন নেওয়া উচিত।
প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের মতো নানা কারণে পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান ক্রমশ কমছে
সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
অল্প বয়সে চুল পাকা সমস্যা কমাতে ঘরোয়া উপায়ে যত্ন নিলেই ধীরে ধীরে ফিরতে পারে চুলের স্বাভাবিক রং ও স্বাস্থ্য
রুটির বদলে সঠিক শস্য বেছে নিলে পেটের মেদ কমানো সম্ভব
বিশ্বের বৃহৎ ১০টি তেলের ভাণ্ডারে কোন দেশে কতটা খনিজ তেল মজুত রয়েছে, তা নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো