নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - ধর্ষণের শিকার শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় কড়া অবস্থান নিল সুপ্রিম কোর্ট। চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে আদালত। দুই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে তীব্র ভর্ৎসনাও করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘিরে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবার বিষয়টিও আলোচনায় এসেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণ নিয়ে দেশজুড়ে চর্চা চলছে।
ঘটনাটি চলতি বছরের মার্চ মাসের। উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে নির্যাতনের শিকার হয় ৪ বছরের এক শিশু। অভিযোগের তির এক প্রতিবেশীর দিকে। চকোলেটের প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে বাড়ির কাছের একটি এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয় শিশুটিকে। তখন সে অচেতন অবস্থায় ছিল। গুরুতর আঘাতও ছিল শরীরে। পরিবারের দাবি, উদ্ধারের পরও সে জীবিত ছিল। দ্রুত তাকে দু’টি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানে ভর্তি নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। পরে গাজিয়াবাদ জেলা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় শিশুটিকে। সেখানেই তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা।
ঘটনার পর বিষয়টি পৌঁছয় সুপ্রিম কোর্টে। আদালত বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠনের নির্দেশ দেয়। তদন্তে উঠে আসে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। অভিযোগ, সময়মতো চিকিৎসা শুরু হয়নি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পেতেও দেরি হয়েছিল। শুক্রবার মামলার শুনানি হয় সুপ্রিম কোর্টে। শুনানিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চ। প্রধান বিচারপতি বলেন, 'মেয়েটি গরিব ছিল বলেই তাকে অবহেলা করা হয়েছে'।
তাঁর মতে, সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলি নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। পরিকাঠামোর সমস্যা থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থা করা যেত। অন্য হাসপাতালে পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আদালত আরও জানায়, দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। চিকিৎসকদের উদ্দেশে কড়া বার্তাও দেওয়া হয়। প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, কর্তব্য পালন না করলে নিজেদের চিকিৎসক বলার অধিকার নেই।মামলার শুনানিতে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। দুই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নির্যাতিতার পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দিতে বলা হয়েছে। এই পদক্ষেপ স্বেচ্ছায় নিতে হবে। নির্দেশ না মানলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে আদালত।
এর আগেও মামলাটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল শীর্ষ আদালত। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছিল। প্রাথমিক এফআইআরে ধর্ষণের ধারা না থাকায় ক্ষোভ দেখায় আদালত। তদন্তকারীদের সংবেদনশীলতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পুলিশ কমিশনার ও তদন্তকারী আধিকারিককে তলব করা হয়েছিল। আইন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভবিষ্যতের মামলাগুলিতেও এর প্রভাব পড়তে পারে। জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা নিয়ে নতুন করে বিতর্কও শুরু হয়েছে।
মন্দিরে যাওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে খুন! প্রেমিকের সঙ্গে ছক কষে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ
পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তিতে নতুন মাইলফলক ভারতের, জিন্দে বিপুল অঙ্কের উন্নয়ন প্রকল্পের সূচনা প্রধানমন্ত্রীর
শূন্য কার্বন নির্গমনে জোর দিলেন ভারতীয় রেল
ক্ষমতা হারিয়েই সুর নরম ডিএমকে প্রধানের, কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত
ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে, নতুন গাড়ি বা পুরো টাকা ফেরতের নির্দেশ আদালতের
সোনম ওয়াংচুকের অনশন ঘিরে অবশেষে প্রথমবার প্রতিক্রিয়া জানাল কেন্দ্রীয় সরকার
ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের দাবিতে আদিবাসীদের অভিনব বিক্ষোভ, উন্নয়ন বনাম উচ্ছেদ বিতর্কে নতুন করে চড়ছে পারদ
জগন্নাথদেবের রথে আরোহনের সময় হুড়োহুড়ি, আহতদের দ্রুত হাসপাতালে পাঠাল প্রশাসন
গগনযান-সহ গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে কর্মরত বিজ্ঞানীদের পদত্যাগে নতুন বিধিনিষেধ, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে দক্ষ জনবলের ঘাটতি
ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে
ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে
গত বছরের পদদলিত হওয়ার ঘটনার পর বাড়তি সতর্কতা প্রশাসনের, নজরদারিতে ড্রোন থেকে ৫০০ সিসিটিভি
নতুন ওয়েবসাইট রেলওয়ান অ্যাপে দ্রুত বুকিং
মহাসমারহে শুরু জগন্নাথ দেবের রথযাত্রা
একাধিক ফ্ল্যাট, জমি, বাংলো ও বিপুল সোনা-রুপোর হদিস, গ্রেফতার প্রাক্তন মুখ্য ইঞ্জিনিয়ার
শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার পর ফের সংঘর্ষের আবহ, পালটা আক্রমণেও সক্রিয় তেহরান
বঙ্গোপসাগরে ডুবে গেল শরণার্থী বোঝাই দু’টি নৌকা, মৃতদের মধ্যে মহিলা ও শিশুরাও থাক...
দমন-পীড়নের অভিযোগে উত্তাল পাক অধিকৃত কাশ্মীর, পরিস্থিতি সামাল দিতে অতিরিক্ত বাহ...
একটি রেস্টুরেন্টে বসে খাবার খাওয়ার সময় আচমকাই ভেঙে যায় একটি চেয়ার
দুই ভারতীয় নৌকর্মীর মৃত্যু, হরমুজ প্রণালী দিয়ে উদ্বেগ কেন্দ্রের