নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - চুলের যত্নে দামী শ্যাম্পু, সিরাম, তেল - সব ব্যবহার করেও ফল না মিললে সমস্যার মূল কারণটি হয়তো একেবারে চোখের সামনেই লুকিয়ে রয়েছে। অনেক জায়গায় কলের জলে আয়রন, জিঙ্ক, অ্যালুমিনিয়াম সহ বিভিন্ন খনিজের মাত্রা এতই বেশি থাকে যে সেই জলকে বলা হয় হার্ড ওয়াটার। এই জল চুলের উপর স্তর তৈরি করে গোড়া দুর্বল করে দেয়, রুক্ষতা বাড়ায়, জেল্লা নষ্ট করে এবং চুল পড়াকে একেবারে ভয়ানক পর্যায়ে পৌঁছে দেয়।

চিকিৎসকদের মতে, চুলের ত্বকের পিএইচ ব্যালান্স নষ্ট হওয়ায় দেখা দেয় ডগা ফাটা, খুসকি সহ চুল ভেঙে যাওয়ার সমস্যা। তবে জল বদলানো না গেলেও কিছু সহজ অভ্যাসের মাধ্যমে হার্ড ওয়াটারের ক্ষতিকর প্রভাব অনেকটাই কমানো সম্ভব।
১. শাওয়ার ফিল্টার ব্যবহার করুন
হার্ড ওয়াটারের ক্ষতি ঠেকানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায় হল
শাওয়ার বা কলের ফিল্টার লাগানো। এগুলি জলের অশুদ্ধি সহ অতিরিক্ত খনিজ ছেঁকে দেয়, ফলে স্ক্যাল্পের ইরিটেশন কমে। চুল শক্তিশালী থাকে।

২. হার্ড ওয়াটার ফুটিয়ে ব্যবহার - যদি ফিল্টার ব্যবহার করতে না পারেন, তবে জল কয়েক মিনিট ফুটিয়ে ঠান্ডা করে চুলে ব্যবহার করুন। ফুটালে জলের খনিজের কঠোরতা অনেকটাই নেমে আসে, ফলে চুলের রুক্ষতা কমে, চুল পড়া নিয়ন্ত্রণে থাকে, স্ক্যাল্প কম শুষ্ক হয়।

৩. আর্দ্রতা ফিরিয়ে আনুনহার্ড ওয়াটার চুলের আর্দ্রতা শুষে নেয়। তাই সপ্তাহে এক দিন একটি হাইড্রেটিং হেয়ার মাস্ক ব্যবহার করুন। নিয়মিত নারকেল, বাদাম কিংবা অলিভ অয়েল দিয়ে স্ক্যাল্প মাসাজ করলে চুল নরম থাকবে, ভাঙবে কম।

ওয়েলিং ট্রিটমেন্ট শুধু আর্দ্রতা ধরে রাখে না, স্ক্যাল্পে রক্তসঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের গ্রোথও উন্নত করে।
প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের মতো নানা কারণে পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান ক্রমশ কমছে
সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
অল্প বয়সে চুল পাকা সমস্যা কমাতে ঘরোয়া উপায়ে যত্ন নিলেই ধীরে ধীরে ফিরতে পারে চুলের স্বাভাবিক রং ও স্বাস্থ্য
রুটির বদলে সঠিক শস্য বেছে নিলে পেটের মেদ কমানো সম্ভব
বিশ্বের বৃহৎ ১০টি তেলের ভাণ্ডারে কোন দেশে কতটা খনিজ তেল মজুত রয়েছে, তা নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো