নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - লিওনেল মেসি নামটার সঙ্গে আবেগ ভালোবাসা জড়িয়ে থাকবে এটাই খুব স্বাভাবিক।দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে যা উপহার দিয়েছেন তার কিছুই ফিরিয়ে দেওয়া যায় না। বার্সেলোনায় এখনও তার ভক্তের সংখ্যা অগুন্তি। লিও মেসির দ্বিতীয় ঘর বার্সেলোনা। সেই বার্সেলোনা থেকে অবসরের সময় মেসির একটি ন্যাপকিন বিক্রি হয়। যার মূল্য ৮ কোটি টাকা। তাহলে ভেবেই দেখুন বিশ্বকাপজয়ী বলের দাম ঠিক কত পারে।
২০২১ সালে বার্সেলনা থেকে অবসর নেওয়ার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন। এক দশকেরও বেশিসময় সেই ক্লাবের সমর্থকদের সঙ্গে তার ভালোবাসা ছিল অন্যরকমের। তাই সবকিছু ছেড়ে আসতে গিয়ে কেঁদে ফেলেন লিও। সেই জল একটি ন্যাপকিন দিয়ে মোছেন। যা পরে নিলামে ওঠে। শুধু তাই নয় , ৮ কোটি টাকায় বিক্রি হয়।
এবার প্রশ্ন চোখের জলে ভেজা ন্যাপকিনের দাম যদি ৮ কোটি হয় তাহলে স্বপ্নের , সাধনার বিশ্বকাপজয়ী বলটি ঠিক কত হতে পারে। যা মুম্বইতে ক্রিকেটের ভগবান সচিন তেন্ডুলকরের হাতে তুলে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন তারকা। তবে দাম যাই হোক না একেবারে সঠিক তারকাকে সেই বল তুলে দিয়েছেন তিনি। কারণ , ক্রিকেটের দুনিয়ায় , সচিনের থেকে বিশ্বমানের ব্যাটসম্যান এখনও কেউই নেই।
মুম্বই ইন্ডিয়ান্স - ১৯৫/৬(২০)
পঞ্জাব কিংস - ১৯৮/৩(১৬.৩)
একের পর এক হারে পর্যুদস্ত নাইটদের এই অবস্থার জন্য ভুল প্লেয়ার নির্বাচনকেই দায়ী করছেন প্রাক্তন এই ভারতীয় ক্রিকেটার
পিঠের চোট সারিয়ে তার রাজকীয় প্রত্যাবর্তন অরেঞ্জ আর্মি দলের আত্মবিশ্বাস কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে
ইউরোপ সেরার লড়াইয়ে তারাই এবার অন্যতম দাবিদার
হ্যামস্ট্রিংয়ের চোটে কাবু প্রাক্তন অধিনায়ককে আপাতত মাঠের বাইরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা
এই বিবাদ এখন ভারতীয় ক্রিকেট মহলে টক অফ দ্য টাউন
সেটা লুকোতে পারেননি আধুনিক ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি
পিএসজি - ২
লিভারপুল - ০
অ্যাতলেতিকো মাদ্রিদ - ১(৩)
বার্সেলোনা - ২(০)
চেন্নাই সুপার কিংস - ১৯২/৫(২০)
কলকাতা নাইট রাইডার্স - ১৬০/৭(২০)
টসে জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলকাতা
আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে ম্যাচ
মাঠের উত্তেজনার মাঝে এমন প্রশাসনিক পদক্ষেপে দুই শিবিরেই এখন অস্বস্তি তুঙ্গে
এখনও অবধি জয়ের মুখ দেখেনি কলকাতা
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ - ২১৬/৬(২০)
রাজস্থান রয়্যালস - ১৫৯(১৯)
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়