নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বয়স বাড়া স্বাভাবিক, কিন্তু বয়সের ছাপ থামিয়ে রাখা বা ধীরে আনতে পারা অনেকটাই নির্ভর করে খাবারের ওপর। আমাদের শরীর প্রতিদিন অক্সিডেটিভ স্ট্রেস, পরিবেশ দূষণ ও জীবনযাপনের নানা চাপের মধ্য দিয়ে যায়। সঠিক খাবার শরীরকে ভেতর থেকে মেরামত করে, ত্বক উজ্জ্বল রাখে, চুল মজবুত করে এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গের কর্মক্ষমতা বাড়ায়। তাই অ্যান্টি এজিং খাবার শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, সামগ্রিক সুস্থতার জন্যও খুব জরুরি।
বেরি জাতীয় ফল - ব্লুবেরি, স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি বা আমাদের দেশীয় জাম—সবগুলোতেই আছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, ভিটামিন সি ও পলিফেনল। এগুলো শরীরের ফ্রি র্যাডিক্যাল কমায়, ত্বকের কোলাজেন ধরে রাখে এবং চামড়ার আগাম বলিরেখা প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন এক মুঠো বেরি যেমন ইমিউনিটিও বাড়ায়।
ফ্যাটি ফিশ - স্যামন, সার্ডিন, টুনা বা ভারতীয় ইলিশ—ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এসব মাছে প্রচুর থাকে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড ত্বককে নরম ও আর্দ্র রাখে, প্রদাহ কমায় এবং চোখ ও মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের জন্য দারুণ উপকারী। যারা নিরামিষভোজী, তারা ফ্ল্যাক্সসিড ও চিয়া সিড থেকেও ওমেগা থ্রি পেতে পারেন।
সবুজ শাকসবজি - পালং, ব্রোকলি, কলে শাক, লেটুস ইত্যাদিতে ভিটামিন ক, ভিটামিন সি, আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট প্রচুর। এগুলো ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে, ত্বক স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা পায় এবং হাড় মজবুত থাকে। প্রতিদিন প্লেটে অন্তত এক সার্ভিং সবুজ শাক অবশ্যই থাকা উচিত।
বাদাম ও বীজ - আখরোট, কাজু, বাদাম, পেস্তা, তিল, ফ্ল্যাক্সসিড, কুমড়োর বীজ—এসব খাবারে ভালো চর্বি, ভিটামিন ই ও প্রোটিন থাকে।ভিটামিন ই ত্বককে রোদ ও দূষণের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে, আর ভালো ফ্যাট শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
অলিভ অয়েল - মোনো-আনস্যাচুরেটেড চর্বি ও অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর এই তেল হৃদয় সুস্থ রাখে এবং ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বাড়ায়। সালাদ, পাস্তা বা গ্রিলড সবজিতে অল্প অলিভ অয়েল ব্যবহার করলেই হয়।
গ্রিন টি - গ্রিন টিতে প্রচুর আছে ক্যাটেচিন নামের অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট, যা শরীরে প্রদাহ কমিয়ে কোষকে দীর্ঘদিন কার্যকর রাখে। প্রতিদিন এক বা দুই কাপ গ্রিন টি শরীরকে হালকা ও সতেজ রাখে এবং ত্বকেও উজ্জ্বলতা আনে।
ডার্ক চকলেট - ৭০ শতাংশের বেশি কোকোযুক্ত ডার্ক চকলেটে পলিফেনল থাকে, যা রক্ত সঞ্চালন বাড়ায় এবং ত্বকের আর্দ্রতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। তবে এতে ক্যালরি বেশি, তাই অল্প পরিমাণেই যথেষ্ট।
ফারমেন্টেড খাবার - দই, কেফির, সাওয়ারক্রাউট বা দেশীয় ঘরে বানানো আচার— এসব খাবারে থাকে প্রোবায়োটিক। এগুলো হজমশক্তি বাড়ায়, দেহে পুষ্টি শোষণ ভালো করে এবং ভেতর থেকে ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়।
অ্যান্টি এজিং কোনো জাদুর ফল নয়; বরং এটি ধীরে, নিয়মিত, সচেতন খাদ্যাভ্যাসের ফল। রঙিন ফল–সবজি, ভালো চর্বি এবং প্রাকৃতিক খাবারের সংমিশ্রণই শরীরকে দীর্ঘদিন তরতাজা ও কর্মক্ষম রাখার সবচেয়ে সহজ উপায়।
প্রযুক্তির অতিরিক্ত ব্যবহারের মতো নানা কারণে পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা ও গুণমান ক্রমশ কমছে
সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা
অল্প বয়সে চুল পাকা সমস্যা কমাতে ঘরোয়া উপায়ে যত্ন নিলেই ধীরে ধীরে ফিরতে পারে চুলের স্বাভাবিক রং ও স্বাস্থ্য
রুটির বদলে সঠিক শস্য বেছে নিলে পেটের মেদ কমানো সম্ভব
বিশ্বের বৃহৎ ১০টি তেলের ভাণ্ডারে কোন দেশে কতটা খনিজ তেল মজুত রয়েছে, তা নিয়েই বিশেষ প্রতিবেদন
ভারতীয় নাগরিকদের সতর্কবার্তা দূতাবাসের
পরিবারের সঙ্গে মাত্র ১০ মিনিট দেখা করার অনুমতি
সোশ্যাল মিডিয়ায় মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল ভিডিও
‘নো বোট নো ভোট’
নিউ ইয়র্কের জেলে বন্দি মাদুরো