সকালে রোদে গরমে ঘাম ঝরছে, দুপুরে হাঁসফাঁস, বিকেলে আবার হঠাৎ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। বাইরে একরাশ কাদা, ভেজা জামাকাপড়ে ভ্যাপসা ঘাম। এই দোলাচলই শরীরের সবচেয়ে বড় শত্রু। বিশেষ করে ছোটদের। বর্ষার এই সময়টা যেন একেবারে রোগের আঁতুড়ঘর। জলবাহিত, মশাবাহিত, এমনকি ছোঁয়াচে রোগও মুহূর্তে কাবু করে দিতে পারে আপনার সন্তানকে।
ফ্লু, নিউমোনিয়া, ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু, চিকেনপক্স, টাইফয়েড, হেপাটাইটিস এগুলিই এই মরশুমের প্রধান আতঙ্ক। সামান্য অসাবধান হলেই বড়ো সমস্যার রূপ নিতে পারে। শিশুদের এইসময় বিশেষ নজরে রাখার চেষ্টা করুন।

ফুটানো জল ছাড়া খাওয়াবেন না, স্নানের জলও জীবাণুমুক্ত হতে হবে। রাস্তার কাটা ফল বা ফাস্টফুড একেবারেই নয়। এর বদলে বাড়িতে তৈরি হালকা খাবার দিন। কমলালেবু, লেবু, দই, লস্যি, বাদাম, আদা-মধু, তুলসীপাতা শরীরকে শক্তি আর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।প্রতিদিন অন্তত ৬–৭ ঘণ্টা ঘুম দরকার। সামান্য খেলাধুলোও ইমিউনিটি বাড়ায়। বাড়ির চারপাশে জল জমতে দেবেন না। দিনে কয়েকবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার অভ্যাস করান। রাতে অবশ্যই মশারি ব্যবহার করুন।
১০৪ ডিগ্রির কাছাকাছি জ্বর কিংবা
জ্বরের সঙ্গে সর্দি-কাশি বা ডায়রিয়া
প্রস্রাবের পরিমাণ হঠাৎ কমে যাওয়া,
ডিহাইড্রেশন বা হঠাৎ অবসাদ
এমন হলে দেরি না করে শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।
ফ্লু, টাইফয়েড, চিকেনপক্স, হেপাটাইটিস- এ এগুলো বর্ষার আগে দিলে অনেকটা সুরক্ষা মেলে। অনেক সময় এগুলো সরকারি কার্ডে লেখা না থাকলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এগিয়ে যান।মনে রাখবেন, বৃষ্টি আর গরমের এই খেলায় শরীর দ্রুত ভেঙে পড়ে। তবে সামান্য যত্ন আর কিছু সহজ অভ্যাসই পারে আপনার সন্তানকে রোগের হাত থেকে রক্ষা করতে।
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর