নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - প্রায় তিন দশক ধরে বাংলা চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির অন্যতম মুখ প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। একটা সময় যখন কলিউড , বলিউডের সঙ্গে টেক্কা দেওয়া ছিল দায় ঠিক সেই সময় নিজেকে নতুন রূপ দিয়ে ইন্ডাস্ট্রিকে বাঁচিয়েছিলেন তিনি। সেই অবদানের জন্য বিরাট সম্মানে ভূষিত হতে চলেছেন বুম্বা দা। পদ্মশ্রী সম্মান পেতে চলেছেন তিনি।
রবিবার সন্ধেয় পদ্মশ্রী প্রাপকদের তালিকায় প্রকাশ করেছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। সেই তালিকায় জ্বলজ্বল করছে প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের নাম। বাংলা চলচ্চিত্রে তার বিরাট অবদানের জন্যই এই সম্মান পাচ্ছেন তিনি। ৪০ বছর ইন্ডাস্ট্রিতে কাটানোর পর নিজের দক্ষতায় এই সম্মান জিতলেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়।
শিশুশিল্পী হিসাবে প্রসেনজিতের অভিনয়জীবন শুরু হলেও নয়ের দশকে নায়ক হিসাবে আত্মপ্রকাশের পরই তিনি টালিগঞ্জের বাণিজ্যিক ছবির মুখ হয়ে ওঠেন। প্রায় ৪০০ টি ছবি রয়েছে ঝুলিতে। ফ্লপ হিটের মেলবন্ধনেই সফলতার চরম সীমায় পৌছে গেলেন তিনি। আশির দশক থেকে আজ পর্যন্ত বাণিজ্যিক ছবি হোক বা বিকল্প ধারা, বাংলার চলচ্চিত্র জগৎকে একাই সামলেছেন।
যেকোনো চরিত্রে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন। যখন যেমন দরকার হয়েছে সেইভাবেই নিজেকে উপস্থাপন করেছেন।রোমান্টিক, অ্যাকশন, পারিবারিক ছবি থেকে শুরু করে সামাজিক ও চরিত্রনির্ভর নানা ধারার ছবিতে সমান স্বচ্ছন্দে অভিনয় করে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন। বুম্বা দার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ছবির মধ্যে রয়েছে , অমর সঙ্গী’, ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ’, ‘প্রতিবাদ’ ‘উৎসব’, ‘চোখের বালি’, ‘দোসর’ ‘মনের মানুষ’, 'অটোগ্রাফ' , ‘জাতিস্মর’।
ছবি নিয়ে ভীষণই আশাবাদী অনির্বাণ
ফের পিছিয়ে গেল মুক্তির দিনক্ষণ
সারাজীবন ইন্ডাস্ট্রির অপূরণীয় ক্ষতি হিসেবে থেকে যাবেন ইরফান
নতুন তারিখ ঘোষণার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয়েছে জোর আলোচনা
পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় প্রশাসন
বিকেল ৪টের পর থেকে সক্রিয় হতে পারে দুষ্কৃতীরা
প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে স্বভাবতই সরব হয়েছে ঘাসফুল শিবির
পুলিশের সামনেই চলে বেধড়ক মারধর
থানায় অভিযোগ দায়ের বিজেপির