নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - শিক্ষককে ধমক দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। এর মধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপি প্রতিনিধির মন্তব্য ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে চাপানউতোর। প্রতিবাদে পথে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও তাদের শিক্ষক সংগঠন। বিষয়টি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইন্দাস এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে , গত মঙ্গলবার কুশমুড়ি হাইস্কুলে এক শিক্ষকের অনুমতি ছাড়াই তাঁর শ্রেণীকক্ষে ঢুকে পড়েন বিজেপি বিধায়ক নির্মল কুমার ধাড়া। পরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। পড়ুয়াদের সামনেই তর্কাতর্কির অভিযোগ ওঠে। ঘটনার ভিডিও দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এরপর বিধায়কের আচরণের প্রতিবাদে ইন্দাস-সহ একাধিক এলাকায় মিছিল করেন তৃণমূলের শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা।

পরবর্তীতে বিধায়ক শিক্ষক সমাজের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন। এই আবহেই রবিবার ফেসবুক লাইভে এসে বিজেপির ইন্দাস মণ্ডল সভাপতি বিপ্রদাস অধিকারীর বক্তব্য ঘিরে শুরু হয় নতুন বিতর্ক। তিনি মন্তব্য করেন, '২০২৬ সালের নির্বাচনের পর তৃণমূল না থাকলে কোন শিক্ষক সেলের নেতা হবেন? তখন আপনাকে বিজেপি বিধায়কের পায়ের তলায় এসে পড়তে হবে'।
এই বক্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই ফের শাসক দল ও শিক্ষক সংগঠন প্রতিবাদে শামিল হয়। বিজেপির দাবি, বিধায়ক ইতিমধ্যেই ক্ষমা চেয়েছেন। তারপরেও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ইস্যু নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করছেন। অভিযোগ, ভোটের সময় প্রিজাইডিং অফিসারদের ভূমিকা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যও করেছেন তিনি। আরও দাবি, প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বহু শিক্ষক নাকি চাপে পড়ে উপস্থিত ছিলেন।

বিপ্রদাস অধিকারী জানান, 'শিক্ষা জাতির মেরুদণ্ড - এই কথা তৃণমূল ভুলে গেছে। অতীতে শিক্ষকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে হকের দাবি চাইতে গিয়ে বুকে লাথি খেয়েছিলেন। যোগ্য প্রার্থীরা দুর্নীতির কারণে চাকরি হারিয়েছেন। তখন প্রতিবাদ কোথায় ছিল? বিজেপি বিধায়ক না হয়ে তৃণমূলের কোনও নেতা বা পঞ্চায়েত সদস্য হতো, তখন ওই শিক্ষক তাঁর পেছনে ঘুরতেন। আসন্ন ভোটে সাধারণ মানুষ বুঝিয়ে দেবে'।
বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ জানান, 'নির্দিষ্ট বিদ্যালয়টি ভীষণ অপরিষ্কার থাকে। ওই শিক্ষক পড়ানোর বদলে তৃণমূলের কথা বেশি বলেন। সময়মতো ক্লাসে যান না। এমনকি তিনি এলাকায় সন্ত্রাস ছড়ান। তাই হয়তো আবেগে পড়ে এই কাজ করেছেন বিধায়ক। তবে আগে প্রধান শিক্ষকের ঘরে যাওয়া উচিত ছিল সেটা ঠিক'।
অন্যদিকে ইন্দাসের তৃণমূল নেতা শেখ হামিদ বলেন, 'আলোর বিপরীত যেমন অন্ধকার, তেমনই শিক্ষার বিপরীত বিজেপি। এরা দেশটাকে ধ্বংস করতে এসেছে। মানুষ উপলব্ধি করতে পারছে এই দল কতটা বর্বর। আসন্ন নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী করে বুঝিয়ে দেবে সাধারণ মানুষ। আমরা কোনও শিক্ষক বা শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের অপমান মেনে নেব না'।
রোদ ঝলমলে আকাশ থাকবে
কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অভিষেক
৬ মার্চ ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সোমবার ও মঙ্গলবার পরপর দুদিন বৈঠকে বসতে চলেছে কমিশন
সংঘর্ষে আহত হয়েছে দুইপক্ষের একাধিক কর্মীরা
যদিও আপাতত নিরাপদেই আছেন মেয়র কন্যা
দেশকে বিশ্বকাপ এনে দিয়েও নাগরিকত্ব নিয়ে সংশয় রিচার
দোলের দিন সকালে থাকছে না মেট্রো
রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা
মোট ৪ টি বিমান পরিষেবা বাতিল করা হয়েছে
নাম বাদ গেলে ফের তালিকায় নাম তোলা যাবে বলে জানিয়েছে সিইও
চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা শুভেন্দুর
ধাপে ধাপে তালিকা প্রকাশ হতে পারে বলে দাবি কমিশনের
শনিবার থেকেই শহরের বুকে চালু হচ্ছে পিংক বুথ পরিষেবা
মোট ৪৭ হাজার ১১১ জনের নাম বাদ পড়েছে
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর