নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - অক্ষয় তৃতীয়া হলো হিন্দু ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও শুভ তিথি। সংস্কৃত শব্দ 'অক্ষয়' অর্থাৎ যা ক্ষয় হয়না বা চিরস্থায়ী 'তৃতীয়া' অর্থাৎ তৃতীয় দিন, যা বৈশাখ মাসের শুক্লপক্ষের তৃতীয়া তিথিতে পালিত হয়। এই দিনে শুভ কাজ, দান বা সোনা কিনলে তার ফল অক্ষয় থাকে এবং সমৃদ্ধি বাড়ে। এই দিনটি পরশুরাম জয়ন্তী এবং ক্রেতাযুগের সূচনা হিসাবে পালিত হয়।
বলা হয়,ঋষি ব্যাস অক্ষয় তৃতীয়ায় দেবতা গণেশকে হিন্দু মহাকাব্য মহাভারতে পাঠ করা শুরু করেছিলেন। এই দিনে গঙ্গা নদী পৃথিবীতে নেমে এসেছিল ছোট্ট চারধাম তীর্থযাত্রার সময় অক্ষয় তৃতীয়ার শুভ উপলক্ষে অনুযায়ী যমুনোত্রী মন্দির ও গাঙ্গোত্রীর মন্দির খোলা হয়, হিমালয় অঞ্চলে ভারী তুষারপাত-ভারাক্রান্ত শীতের সময় বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর অক্ষয় তৃতীয়ার দিন এই মন্দিরগুলি খোলা হয়।
অক্ষয় তৃতীয়ার প্রধান মাহাত্ম্য ও তাৎপর্য :-
• এই দিনে যেকোনো শুভ কাজ যেমন - নতুন ব্যবসা শুরু, গৃহপ্রবেশ, বা যেকোন বিশেষ পূর্ণ কর্ম করলে তার ফলাফল কখনো শেষ হয় না, বরং ক্রমশ বৃদ্ধি পায়।
• এই দিনে সোনা বা মূল্যবান ধাতু কেনা খুব শুভ বলে মনে করা হয়।
• এই দিন সাধ্যমত দান যেমন- অন্ন, জল, বস্ত্র বা স্বর্ণ দান করলে পিতৃপুরুষরা তৃপ্তি হন।
• এই পূর্ণ তিথিতেই ভগবান বিষ্ণুর অবতার পরশুরামের জন্ম হয়েছিল এছাড়াও এই দিনেই বেদব্যাস মহাভারত লেখা শুরু করেছিলেন বলে ধরা হয়।
• অক্ষয় তৃতীয়া একটি 'স্বয়ংসিদ্ধ তিথি' অর্থাৎ এই দিনে কোনরকম শুভ মুহূর্ত বা পঞ্জিকা দেখার প্রয়োজন হয় না।
এই প্রথম রাজ্যসভার কোনো মনোনীত সংসদ ডেপুটি চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হল...
গবেষণা বিষয়ক তথ্য ফাঁস হওয়া নিয়ে সংশয় থাকছে
রুশ তেল কেনার মেয়াদ শেষ হয়ে এসেছে ভারতের
সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের সমস্ত সমস্যার কথা তুলে ধরেছেন ওই যুবক
প্রায় তিন দশক পর মুখোমুখি হয়েছে ইজরায়েল ও লেবানন