নিজস্ব প্রতিনিধি , ওয়াশিংটন - টেলিভিশন সাক্ষাৎকার চলাকালীন তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ২০২০ সালের নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। শেষ পর্যন্ত সঞ্চালিকার সঙ্গে তীব্র বচসার পর অনুষ্ঠান মাঝপথে ছেড়ে বেরিয়ে যান তিনি। ঘটনাটি ঘিরে ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
আন্তর্জাতিক টিভি চ্যানেল ‘এনবিসি নিউজ’-এর অত্যন্ত জনপ্রিয় টক-শো ‘মিট দ্য প্রেস’-এর মুখোমুখি হয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখানেই এই কাণ্ডটি ঘটে। ওই অনুষ্ঠানে ২০২০ সালের ভোটে জালিয়াতি নিয়ে ট্রাম্প সরব হন। তখন সঞ্চালিকা ক্রিস্টেন ওয়েলকার তাঁর কাছে এর উপযুক্ত প্রমাণ দেখতে চান। এই প্রশ্নেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন ট্রাম্প। তিনি ক্যালিফোর্নিয়ার ভোট গণনায় ৬ দিন দেরি হওয়াকে কারচুপির বড় প্রমাণ হিসেবে দাবি করেন। পালটা জবাবে সঞ্চালিকা জানান যে ডাকযোগে আসা ব্যালট বা পোস্টাল ভোটের নিয়মের কারণেই আধিকারিকদের গণনা করতে কিছুটা সময় লেগেছিল। এই ব্যাখ্যা শুনে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হারান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
তিনি ক্রিস্টেনকে ‘অসৎ’ এবং ‘নির্বোধ’ বলে গালমন্দ শুরু করেন। শুধু তাই নয়, এনবিসি-সহ বিবিসি, সিএনএন ও সিবিএস-এর মতো সমস্ত বিশ্বখ্যাত সংবাদমাধ্যমকে ‘একপেশে ও দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে দাগিয়ে দেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২০ সালে জো বাইডেনের কাছে হারের পর থেকেই ট্রাম্প লাগাতার এই নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আসছেন। এর জেরে ক্যাপিটাল হিলসে হামলা চালিয়েছিল ট্রাম্প সমর্থকরা। পরে বাইডেন সরকার তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করে। কিন্তু পরের নির্বাচনে ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে অভিযুক্তদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেন ও তহবিল গঠন করেন। এই বিষয় নিয়ে এর আগেও একবার এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেছিলেন। তখন কড়া সুরে সেই সাংবাদিককে ট্রাম্প বলেছিলেন, 'চুপ থাকুন'।
এই চরম উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি ও গণমাধ্যমের ভূমিকা প্রসঙ্গে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষুব্ধ গলায় লাইভ ক্যামেরার সামনে জানান, 'প্রচুর প্রমাণ রয়েছে। ২০২০ সালের ওই নির্বাচন কারচুপির আখড়া ছিল। ক্যালিফোর্নিয়ায় নির্বাচনের এতদিন পরেও বিজয়ীর নাম ঘোষণা না করাটা কোনোভাবেই ন্যায্য বা আইনসংগত ছিল না। ওখানকার নির্বাচনী আধিকারিকরা আপনার মতোই চরম অসৎ। আপনাদের পুরো এনবিসি চ্যানেলটাই একটা জালিয়াতি। বিবিসি, সিবিএস, সিএনএন- সবাই একপেশে ও অসাধু সংবাদমাধ্যম। আপনি যদি অসৎ না হন তবে আপনি আসলে একটা হদ্দ বোকা। এখানে তবে শেষ করা যাক। যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়। ধন্যবাদ ডার্লিং, ভালো থাকবেন'।
এই বলেই নিজের মাইকটি ছুড়ে ফেলে দিয়ে সাক্ষাৎকার মাঝপথেই বয়কট করে সেট ছেড়ে চলে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
বিষয়টি ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে
এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও প্রযুক্তি মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা
সৌদি আরবের সাহায্যে এগিয়ে এল পাকিস্তান, চুক্তি মেনে রিয়াদে মোতায়েন হলো পাক সেনা
খাওয়াদাওয়ার মাঝেই রক্তগঙ্গা! তুরস্কের রেস্তরাঁয় বন্দুকবাজের হামলায় নিহত ৪, আহত ৮
ইরানে বিষ্ণু মন্দিরের ইতিহাস জানালেন অমিতাভ বচ্চন
‘ইন্টারনেটের তারেও এবার ভাড়া দেব’! ট্রাম্পের চিনের সফরের পরেই মার্কিন টেক জায়ান্...
জেলেনস্কির বদলা! ৫০০ ড্রোনের ধাক্কায় কাঁপল মস্কো, এক বছরের বড় হামলায় বিপর্যস্ত র...