নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা - রাজ্যে সরকার বদলের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গেছে। আগামী ৯ মে বিজেপি সরকারের শপথ গ্রহণের আগে হাতে আর মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। তার মধ্যেও মুখ্যমন্ত্রীর পদ না ছাড়ার ঘোষণা ঘিরে রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুললেন পরিচালক রামগোপাল ভার্মা । তাঁর মন্তব্য ঘিরে নতুন করে বিতর্ক ছড়িয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই পরাজয় মানতে নারাজ শাসক শিবির। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়েছেন, তিনি পদত্যাগ করবেন না। যদিও বিধানসভার বর্তমান মেয়াদ শেষ হতে চলেছে ৭ মে। সেই পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক নিয়ম মেনে নতুন সরকার গঠন করা হবে। তবে তার আগে মুখ্যমন্ত্রীর ইস্তফা প্রয়োজন বলেই মত রাজনৈতিক মহলের একাধিকের।

এই আবহে এক্স হ্যান্ডেলে বিস্ফোরক পোস্ট করেন রামগোপাল ভার্মার। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার পরেও এমন অবস্থান তাঁর কাছে অবাক করা বিষয় বলেই দাবি পরিচালকের। তিনি মনে করেন, গণতন্ত্র মূলত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করেই দাঁড়িয়ে থাকে। সেই কাঠামোকে অস্বীকার করা মানেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উপর অমান্যতা দেখানো। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

সংবিধান বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্ধারিত সময়ের পরেও মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকলে রাজ্যপালের হাতে একাধিক সাংবিধানিক ক্ষমতা থাকে। সেই হিসেবে প্রয়োজনে তিনি বিশেষ অধিবেশন ডেকে সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণের নির্দেশ দিতে পারেন। পরিস্থিতি আরও জটিল হলে রাজ্যপাল সরকার ভেঙে দেওয়ার সুপারিশ করতে পারেন। এমনকি রাষ্ট্রপতি শাসনের পথও খুলে যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
চলচ্চিত্র মুক্তিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই টলিপাড়ায় জোর আলোচনা শুরু হয়েছে
সেই প্রসঙ্গ উল্লেখ করেই এবার আমজনতাকে সংযত হওয়ার নিদান ঋদ্ধি সেনের
নিরাপত্তা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় EIMPA চত্বরে
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে