নিঃস্বার্থ সংগ্রামের প্রতীক স্বপন দাস
বারাসাতের বাসিন্দা স্বপন দাস এক অসাধারণ মনের অধিকারিণী, যিনি জীবনের প্রতিটি প্রতিকূলতাকে অদম্য সাহসে মোকাবিলা করেছেন। জন্ম থেকেই দৃষ্টিশক্তিহীন স্বপনের জীবন কখনোই সহজ ছিল না। তিনি একজন প্রতিবন্ধী পুরুষের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন, আশা করেছিলেন সঙ্গ ও সহানুভূতির, কিন্তু তার পরিবর্তে জীবনের সমস্ত বোঝা একাই কাঁধে তুলে নিতে হয় তাকে।
সীমিত সুযোগ-সুবিধার মধ্যে তিনি গৃহপরিচারিকার কাজ শুরু করেন, কোনোরকমে দিন গুজরান করতে থাকেন। কিন্তু তিনি থেমে থাকেননি। নিজের একটা কিছু করার স্বপ্ন দেখেন তিনি। ছোট ব্যবসা শুরু করার সাহস করেন। কিন্তু সেখানেও জীবনের নির্মমতা তাকে ছাড়েনি—লোকেরা তার সহজ-সরল মনোভাবের সুযোগ নেয়, টাকা মেরে দেয়, পণ্য নিয়ে প্রতারণা করে।
তবুও স্বপন দাস ভেঙে পড়েননি। তার আত্মসম্মানই তার চালিকা শক্তি হয়ে ওঠে। প্রতিদিন নিজে থেকে বারাসাত থেকে দমদম স্টেশন পর্যন্ত যাত্রা করেন, নিজের জিনিসপত্র বিক্রি করেন চুপচাপ সম্মানের সঙ্গে। তার এই যাত্রাপথ শুধুই শারীরিক নয়, এটি তার অদম্য মানসিকতার প্রতীক। জীবনে দু’বার দুর্ঘটনার মুখে পড়েও তিনি কখনো থামেননি, বরং প্রত্যেকবার আরও দৃঢ় মনোবল নিয়ে ফিরে এসেছেন।
আজ স্বপন দাস হয়ে উঠেছেন এক অনন্য প্রেরণার প্রতীক। এমন এক সমাজে যেখানে এখনও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের অবমূল্যায়ন করা হয়, সেখানে তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের পরিচয়, নিজের আত্মমর্যাদাকে আগলে রেখে। তার জীবন কোনো করুণ কাহিনি নয়—এটা এক বিজয়ের গল্প, একজন নারীর আত্মনির্ভরতা ও মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার গল্প।
স্বপন দাস আমাদের শেখান—আলো না দেখেও জীবন জ্বালানো যায়।
সায়েশা উত্তমচন্দানি তার শিল্পকলা শুরু করেছিলেন এবং কবিতা সবসময় এমন বিষয় নিয়ে ছিল যে বিষয় নিয়ে মানুষ কথা বলা এড়িয়ে যায়।
পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও নিষ্ঠা থাকলে জীবনে যেকোনো কিছু অর্জন করা সম্ভব।
ল্যান্স নাইক মঞ্জু, এক সাহসী ও দৃঢ়চেতা সৈনিক
ঘোড়ার সঙ্গে তাঁর যাত্রা শুরু হয়েছিল
ভারতের গর্ব, মানিকা বিশ্বকর্মা, মিস ইউনিভার্স, ২০২৫
ক্যাপ্টেন শ্রদ্ধা শিবদাভকরের সংগ্রাম এবং তার সংকল্প
আরও কড়াকড়ি হবে গ্রিন কার্ড
মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বানভাসি অবস্থা পাঞ্জাবে
ফের পাকিস্তানকে সতর্কবার্তা ‘মানবিক’ ভারতের
ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বন্ধে মধ্যস্থতা করার দাবি ট্রাম্পের
গাজার হাসপাতালে হামলায় শোকপ্রকাশ করেছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী