নিজস্ব প্রতিনিধি , দিল্লি - ভারতীয় বায়ুসেনা (IAF) তাদের পরিবহন বিমানের সক্ষমতা বাড়াতে প্রায় ৮০টি নতুন সামরিক পরিবহন বিমান কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই বহু-বিলিয়ন ডলারের প্রকল্পকে সামনে রেখে মার্কিন প্রতিরক্ষা ও মহাকাশ সংস্থা লকহিড মার্টিন তাদের জনপ্রিয় C-130J সুপার হারকিউলিস বিমানকে ভারতের জন্য “সবচেয়ে উপযুক্ত বিকল্প” হিসেবে তুলে ধরেছে। শুধু তাই নয়, চুক্তি হলে ভারতে এই বিমানের জন্য একটি “মেগা উৎপাদন হাব” স্থাপনের প্রস্তাবও দিয়েছে সংস্থাটি, যা যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে প্রথম বৈশ্বিক উৎপাদন কেন্দ্র হবে।

বর্তমানে ভারতীয় বায়ুসেনার কাছে ১২টি C-130J বিমান রয়েছে, যা বিশেষ বাহিনীর অভিযান, ত্রাণ ও উদ্ধার, দুর্গম এলাকায় পরিবহনসহ নানা গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। লকহিড মার্টিনের দাবি, অতিরিক্ত C-130J যুক্ত হলে ভারতের কৌশলগত এয়ারলিফট সক্ষমতা আরও শক্তিশালী হবে, বিশেষ করে কোয়াড (Quad) জোটের প্রেক্ষাপটে। উল্লেখযোগ্যভাবে, কোয়াডের অন্য তিন সদস্য—যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান—ইতোমধ্যেই এই বিমান ব্যবহার করছে।
লকহিড মার্টিন জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত C-130J পরিবারের ৫৬০টির বেশি বিমান সরবরাহ করা হয়েছে, যা সম্মিলিতভাবে ৩০ লক্ষেরও বেশি উড্ডয়ন ঘণ্টা সম্পন্ন করেছে। ২৩টি দেশের ২৮টি অপারেটর এই বিমান ব্যবহার করছে। সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট প্যাট্রিসিয়া ট্রিশ প্যাগান বলেন, “C-130J সব ধরনের যুদ্ধ ও সংকট পরিস্থিতিতে পরীক্ষিত। এটি ভারতের জন্য দীর্ঘমেয়াদি ও ভবিষ্যৎ-প্রস্তুত সমাধান।”
IAF-এর এই মিডিয়াম ট্রান্সপোর্ট এয়ারক্রাফট (MTA) প্রকল্পের লক্ষ্য হলো পুরনো সোভিয়েত আমলের AN-32 ও IL-76 বিমানের পরিবর্তন। এই প্রতিযোগিতায় ব্রাজিলের এমব্রায়ের KC-390 মিলেনিয়াম এবং এয়ারবাসের A-400M-ও রয়েছে। তবে লকহিড মার্টিনের যুক্তি, C-130J একটি পরীক্ষিত প্ল্যাটফর্ম, ফলে নতুন কোনো ঝুঁকি ছাড়াই দ্রুত অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব।
ভারতে উৎপাদন হাব স্থাপনের ক্ষেত্রে লকহিড মার্টিন ইতোমধ্যেই টাটা অ্যাডভান্সড সিস্টেমসের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। হায়দরাবাদের টাটা লকহিড মার্টিন অ্যারোস্ট্রাকচার্স লিমিটেড (TLMAL)-এ C-130J বিমানের লেজের অংশ (empennage) তৈরি হচ্ছে, যা যুক্তরাষ্ট্রে চূড়ান্ত সংযোজনের জন্য পাঠানো হয়। সম্প্রতি এখান থেকে ২৫০তম লেজ সরবরাহ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়, তবে এটি শুধু ভারতীয় বায়ুসেনার সক্ষমতা বাড়াবে না, বরং ভারত-মার্কিন প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে ভারত থেকে C-130J রপ্তানির সম্ভাবনাও তৈরি হতে পারে, যা ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ উদ্যোগের জন্য বড় সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হবে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর