নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - শীতকালে কড়াইশুটির জুরি মেলা ভার। যেকোনো সব্জিতে কড়াইশুটি দেওয়া মানেই তার স্বাদ বেড়ে যায় দ্বিগুণ। সেই কড়াইশুটি দিয়ে বানানো যায় সুস্বাদু পদ। যার মধ্যে অন্যতম মুম্বইয়ের রঘড়া ও ওড়িশার সবুজ ঘুগনি। একটু ভিন্ন স্বাদের হলেও দুটি পদই খেতে দারুণ।
রাঘড়া -
মুম্বাইয়ের রাস্তার ধারের ‘রাঘড়া-প্যাটিস’ হল একটি জনপ্রিয় পথচলতি জলখাবার। যার মূল উপাদান হল রাঘড়া বা শুকনো সাদা মটর। রান্নাটি বছরের অন্য সময়ে সাদা মটর দিয়ে বানানো হলেও শীতকালে বানানো হয় টাটকা সবুজ কড়াইশুঁটি দিয়ে। তার স্বাদও হয় মনকাড়া। সেদ্ধ করা কড়াইশুঁটিকে সামান্য তেলে পেঁয়াজ, লঙ্কা এবং অন্য মশলার সঙ্গে নেড়ে নিয়ে মাখামাখা করে নামানো হয়। তার পরে উপরে তেঁতুলের চাটনি, কাঁচা পেঁয়াজ, লঙ্কা আর ঝুরিভাজা সহযোগে পাপড়ি দিয়ে পরিবেশন করা হয়। মহারাষ্ট্রে তো বটেই, গুজরাতেও এই পথচলতি খাবার বেশ জনপ্রিয়।
সবুজ ঘুগনি -
ঘুগনি-মুড়ি , পাউরুটি - ঘুগনি , দুইই ভীষণই প্রিয় জলখাবার। শীতকালে এরাজ্যে ও প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশাতেও ওই ঘুগনি বানানো হয় কড়াইশুঁটি দিয়ে। কেউ তার নাম দিয়েছেন সবুজ ঘুগনি, কেউ বলেন মটর কষা। শীতের শেষে যখন কড়াইশুঁটির পাট চুকোনোর সময় এসেছে, তখন এক বার বানিয়ে নিতে পারেন কড়াইশুঁটির ঘুগনি। নারকেলকুচি, আদা-বাটা এবং বিশেষ ভাজা মশলা দিয়ে কষিয়ে রান্না করা এই খাবার মুড়ি, রুটি বা পরোটার সঙ্গেও খেতে ভাল লাগবে।
গরম গরম সস মাখিয়ে জমে যেতে বাধ্য
স্বাস্থ্য সচেতন হতে বানিয়ে ফেলুন এই চিলা
রুটি পরোটা দিয়ে জমে যেতে বাধ্য এই পদ
বিজ্ঞানের মত রান্না নিয়েও পরীক্ষা নিরীক্ষা চলতেই থাকে
ছুটির দিনে শেষ পাতে নিঃসন্দেহে জমে যাবে এই মিষ্টান্ন
বাচ্চাদের টিফিনে দেওয়া হয় এই স্ন্যাক্স
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর