নিজস্ব প্রতিনিধি , পশ্চিম মেদিনীপুর - রথযাত্রাকে সামনে রেখে পুরীগামী যাত্রীদের জন্য বড় উদ্যোগ নিল দক্ষিণ পূর্ব রেল। ভক্তদের যাতায়াত সহজ করতে শালিমার পুরী আর বাঙ্গিরিপোসি পুরী রুটে বিশেষ ট্রেন চালানোর ঘোষণা করা হয়েছে। নির্দিষ্ট দিনে চলবে এই ট্রেনগুলি। রেলের পক্ষ থেকে সম্পূর্ণ সময়সূচিও প্রকাশ করা হয়েছে।
রেলের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী , শালিমার-পুরী-শালিমার রথযাত্রা স্পেশাল (০৮৫৬৫/০৮৫৬৬) ট্রেন ১৫ আর ২৩শে জুলাই শালিমার থেকে সন্ধ্যা ৬টায় ছাড়বে। পরের দিন সকাল ৬টায় পুরী পৌঁছবে। আবার ফেরার পথে ট্রেন ১৭ আর ২৫শে জুলাই রাত ১২টা ৩০ মিনিটে পুরী থেকে ছেড়ে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে শালিমার পৌঁছবে। পথে সাঁতরাগাছি, মেচেদা, খড়গপুর, বেলদা, দাঁতন, বালেশ্বর, ভদ্রক, কটক, ভুবনেশ্বর, খুরদা রোড সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে।
এছাড়া বাঙ্গিরিপোসি-পুরী-বাঙ্গিরিপোসি রথযাত্রা মেমু স্পেশাল (০৮৫৬৩/০৮৫৬৪) ট্রেনও চালানো হবে। এই ট্রেন ১৫, ২৩ আর ২৪ শে জুলাই দুপুর ২টা ৩০ মিনিটে বাঙ্গিরিপোসি থেকে ছেড়ে পরের দিন ভোর ৩টায় পুরী পৌঁছবে। ফিরতি ট্রেন ১৭, ২৫ আর ২৬ জুলাই রাত ১টা ১৫ মিনিটে পুরী থেকে রওনা দিয়ে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে বাঙ্গিরিপোসি পৌঁছবে। খড়গপুর ডিভিশনের আওতায় বাঙ্গিরিপোসি থেকে রানিথাল পর্যন্ত প্রতিটি স্টেশনে এই ট্রেন দাঁড়াবে।
রেল সূত্রে জানানো হয়েছে, রথযাত্রার সময় অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামলাতেই এই বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যাত্রীরা রেলের নিয়মিত বুকিং ব্যবস্থার মাধ্যমেই এই ট্রেনের টিকিট সংরক্ষণ করতে পারবেন। নির্ধারিত সময়সূচি দেখে আগেভাগে টিকিট কেটে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে উৎসবের সময় পুরী যাত্রা অনেকটাই সুবিধাজনক হবে।
দূরপাল্লার যাত্রীদের সুবিধার নতুন উদ্যোগ
রথযাত্রার দিনে বাড়তি লঞ্চের ব্যবস্থা
হিউম্যানয়েড রোবটের সক্ষমতা তুলে ধরতেই এই ব্যতিক্রমী প্রযুক্তি প্রদর্শনী
আইআইটি খড়গপুরের সমীক্ষার ভিত্তিতে তৈরি তথ্যনির্ভর পর্যটন পরিকল্পনা
সংসারের দায় কাধে নিয়ে আজও কলকাতার রাস্তায় ভাড়ার হলুদ ট্যাক্সি চালিয়ে চলেছেন রবীন্দ্রনাথ সরকার
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...