নিজস্ব প্রতিনিধি , কায়রো - প্রাচীন সভ্যতার ইতিহাসে নতুন আলো ফেলেছে Valley of the Kings-এ পাওয়া এক চমকপ্রদ আবিষ্কার। গবেষকদের নজরে এসেছে ফারাওদের সমাধির পাথরে খোদাই করা কিছু অক্ষর, যা পরে চিহ্নিত হয়েছে প্রাচীন তামিল লিপি হিসেবে। এই আবিষ্কার প্রমাণ করছে, প্রায় দুই হাজার বছর আগেই ভারতের দক্ষিণ প্রান্তের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে Egypt-এর ঘনিষ্ঠ বাণিজ্যিক ও সাংস্কৃতিক যোগাযোগ ছিল।

গবেষকদের দাবি, ভ্যালি অফ দ্য কিংসের ৬ থেকে ৮টি সমাধির দেওয়ালে খোদাই করা কয়েকটি লেখা তাঁদের কৌতূহল জাগায়। এক সুইস ও এক ফরাসি গবেষক দীর্ঘ পর্যবেক্ষণ ও তুলনামূলক বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখেন, এগুলি তামিল লিপিতে লেখা। সেখানে এক ব্যক্তির নামের পাশাপাশি এমন শব্দ পাওয়া গেছে, যার অর্থ দাঁড়ায়—‘এখানে এলেন এবং দেখলেন’। এই সরল বার্তাই ইতিহাসের একটি বড় অধ্যায় উন্মোচন করেছে।

ঐতিহাসিকদের মতে, খ্রিস্টপূর্ব ও খ্রিস্টীয় প্রথম শতকে ভারত মহাসাগরীয় বাণিজ্যপথ অত্যন্ত সক্রিয় ছিল। দক্ষিণ ভারতের তামিল অঞ্চল থেকে ব্যবসায়ীরা মশলা, মুক্তা, বস্ত্র ও মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে দূরদূরান্তে যেতেন। এই লেখাগুলি প্রমাণ দিচ্ছে যে, তাঁরা শুধু ব্যবসার জন্যই Egypt-এ যেতেন না, বরং সেখানে সময় কাটাতেন এবং স্থানীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে আগ্রহও দেখাতেন। ফারাওদের সমাধি দর্শন করার উল্লেখ সেই কৌতূহলেরই সাক্ষ্য বহন করে।
এই আবিষ্কার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ধারণা সামনে এনেছে—প্রাচীন বিশ্বের সংযোগ ছিল আগের ধারণার চেয়ে অনেক বেশি বিস্তৃত। ভারতের দক্ষিণ প্রান্তের বণিকেরা যে সিল্ক রুট ও সমুদ্রপথ ব্যবহার করে পশ্চিম এশিয়া ও আফ্রিকার সঙ্গে বাণিজ্য চালাতেন, তার প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ হিসেবে এই লিপি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গবেষকরা মনে করছেন, প্রাচীন তামিল সমাজের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য দক্ষতা এবং সমুদ্রযাত্রার সক্ষমতা সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে হবে।

প্রত্নতত্ত্ববিদদের কাছে এই আবিষ্কার শুধুই একখণ্ড লেখার সন্ধান নয়, বরং দুই মহান সভ্যতার আন্তঃসম্পর্কের এক দলিল। সংবাদমাধ্যমে খবরটি প্রকাশের পর বিশ্বজুড়েই বিষয়টি নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে। সাধারণ মানুষের কাছেও প্রশ্ন জেগেছে—প্রাচীন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা কত দূর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছিলেন।
সব মিলিয়ে, মিশরের সমাধিতে খোদাই করা তামিল লিপি ইতিহাসের বহু পুরনো ধারণাকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এটি প্রমাণ করে যে, হাজার হাজার বছর আগেও সমুদ্রপথে সংস্কৃতি, বাণিজ্য ও মানুষের আদান-প্রদান চলত ।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
এমন মানবিক প্রচেষ্টা স্থানীয় মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে
ওড়িশার কোলাহল মুক্ত সমুদ্র সৈকত গোপালপুর
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর