নিজস্ব প্রতিনিধি , হিউস্টন - মহাকাশের শূন্যে ভেসে থাকা সেই দৃশ্য, জানালার ওপার থেকে পৃথিবীর নীল আভা দেখা—এই অভিজ্ঞতা খুব কম মানুষের জীবনে আসে। সেই বিরল অভিজ্ঞতার অন্যতম ধারক সুনিতা উইলিয়ামস অবশেষে তার বর্ণাঢ্য মহাকাশযাত্রার পরিসমাপ্তি টেনে অবসর জীবনে পা রাখলেন। দীর্ঘদিন ধরে নাসার গুরুত্বপূর্ণ মিশনে নেতৃত্ব দেওয়া এই মহাকাশচারী শুধু একজন বিজ্ঞানী নন, বরং বিশ্বের কোটি মানুষের কাছে এক অনুপ্রেরণার নাম।

সুনিতা উইলিয়ামসের কর্মজীবনের শুরু থেকেই তার লক্ষ্য ছিল আকাশ ছোঁয়া। মার্কিন নৌবাহিনীর পাইলট হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর তিনি নাসার মহাকাশচারী কর্মসূচিতে যুক্ত হন। সেখানে কঠোর প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং মানসিক দৃঢ়তার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে তিনি মহাকাশে পাড়ি জমান। আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (আইএসএস) তার একাধিক মিশন শুধু বৈজ্ঞানিক গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, মানবদেহের উপর মহাকাশের প্রভাব বোঝার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
তার অন্যতম পরিচিত কৃতিত্ব মহাকাশে দীর্ঘ সময় কাটানো এবং একাধিক স্পেসওয়াক সম্পন্ন করা। মহাকাশে কাজ করার সময় যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত থেকে শুরু করে বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি স্থাপন—সবকিছুতেই তার নেতৃত্ব ও দক্ষতা নজর কেড়েছে। বিশেষ করে, মহাকাশে থেকে ম্যারাথন দৌড়ানোর মতো অভিনব উদ্যোগ তাকে সাধারণ মানুষের কাছে আরও জনপ্রিয় করে তোলে।
-1769085818264.webp)
অবসর ঘোষণার পর এক বিবৃতিতে সুনিতা বলেন, “মহাকাশ আমাকে শিখিয়েছে সীমা বলে কিছু নেই, যদি আমরা সাহস করে তার বাইরে পা রাখি।” এই কথায় ফুটে ওঠে তার জীবনের দর্শন ।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত এই মহাকাশচারীর সঙ্গে ভারতের মানুষের এক বিশেষ আবেগ জড়িয়ে আছে। তার সাফল্য বহু তরুণ-তরুণীকে বিজ্ঞান ও মহাকাশ গবেষণার পথে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করেছে। স্কুলের শ্রেণিকক্ষ থেকে শুরু করে গবেষণাগার—সবখানেই তার গল্প সাধারণ মানুষ কে স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখার উৎসাহ দেয় ।

অবসর মানে অবশ্য তার কর্মযজ্ঞের শেষ নয়। নাসা এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মহাকাশ গবেষকদের প্রশিক্ষণ ও অনুপ্রেরণার কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখবেন বলেই জানা গেছে। তার অভিজ্ঞতা, সাফল্য এবং সংগ্রামের গল্প আগামী দিনে বিজ্ঞান শিক্ষার এক মূল্যবান সম্পদ হয়ে উঠবে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর