নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - আজকের দিনে স্মার্টফোন আর ইয়ারবাড যেন মানুষের নিত্যসঙ্গী। গান শোনা, অনলাইন ক্লাস, অফিস মিটিং সহ বিনোদন সবেতেই ভরসা ইয়ারবাড। কিন্তু বিশেষজ্ঞদের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, কম ভলিউমে দীর্ঘ সময় ইয়ারবাড ব্যবহার করলেও হতে পারে মারাত্মক ক্ষতি। শুধু কান নয়, ধীরে ধীরে প্রভাব পড়তে পারে মানসিক স্বাস্থ্যের উপরও। তাই শ্রবণশক্তি রক্ষা করতে মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে ৬০/৬০ রুল।

বিশেষজ্ঞদের মতে , ইয়ারবাড সরাসরি কানের ভেতরে থাকায় শব্দ খুব কাছ থেকে কানের পর্দায় আঘাত করে। অনেকেই মনে করেন কম ভলিউমে শুনলে ক্ষতি হয়না, কিন্তু বাস্তবে দীর্ঘ সময় ধরে এই অভ্যাস কানের ভেতরের সূক্ষ্ম হেয়ার সেল বা কোষগুলিকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। একবার এই কোষ নষ্ট হলে তা আর ফিরে আসে না, যার ফলে স্থায়ী শ্রবণশক্তি হ্রাসের আশঙ্কা থাকে।
শুধু শ্রবণশক্তিই নয়, দীর্ঘক্ষণ ইয়ারবাড ব্যবহার করলে হতে পারে কানে শোঁ শোঁ শব্দ , মাথাব্যথা, মনোযোগে সমস্যা এবং মানসিক ক্লান্তি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘ সময় ধরে একটানা শব্দ শোনা মস্তিষ্কের উপরও চাপ সৃষ্টি করে, যার ফলে বিরক্তি, অস্থিরতা সহ ঘুমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

এই সমস্যা এড়াতে চিকিৎসক ও অডিওলজিস্টরা মেনে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন ৬০/৬০ রুল। অর্থাৎ, মোবাইল বা ডিভাইসের সর্বোচ্চ ভলিউমের ৬০ শতাংশের বেশি নয় এবং একটানা ৬০ মিনিটের বেশি ইয়ারবাড ব্যবহার না করা। প্রতি ঘণ্টায় অন্তত ৫–১০ মিনিট কানে বিশ্রাম দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের আরও পরামর্শ , সম্ভব হলে ওভার-ইয়ার হেডফোন ব্যবহার করা, খুব ভিড় বা শব্দযুক্ত জায়গায় ভলিউম বাড়িয়ে গান না শোনা এবং ঘুমানোর সময় ইয়ারবাড ব্যবহার এড়িয়ে চলা।

সব মিলিয়ে, আধুনিক জীবনে ইয়ারবাড ব্যবহার অপরিহার্য হলেও অতিরিক্ত ব্যবহারে ভবিষ্যতে বড়সড় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই এখন থেকেই সচেতন হওয়া উচিত নাহলে ক্ষতি হতে পারে আমাদের শ্রবণশক্তির।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর