নিজস্ব প্রতিনিধি , বাঁকুড়া - শহরের কোলাহল ছেড়ে দু’দিনের নিস্তব্ধতা চাইলে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম–বাঁকুড়া সীমান্তের ছোট্ট পাহাড়ি-জলাশয় ঘেরা মুকুটমনিপুর হতে পারে আদর্শ গন্তব্য। কংসাবতী নদীর ওপর তৈরি বিশাল বাঁধ, চারপাশের টিলা আর লালমাটির পথ—সব মিলিয়ে এখানে প্রকৃতি নিজেই যেন রঙতুলি হাতে ছবি এঁকেছে।

কী দেখব - মুকুটমনিপুরের প্রধান আকর্ষণ কংসাবতী ড্যাম। সূর্যোদয় বা সূর্যাস্তের সময় বাঁধের উপর দাঁড়ালে দূরের সবুজ পাহাড় আর জলরাশি মিলিয়ে মন ছুঁয়ে যায়। নৌবিহারেরও ব্যবস্থা আছে—হাওয়ায় চুল উড়িয়ে জলভ্রমণের আলাদা আনন্দ।
পাহাড়প্রেমীদের জন্য নিকটেই রয়েছে শুশুনিয়া পাহাড়—ট্রেকিং ও প্রাচীন শিলালিপির জন্য পরিচিত। কাছেই রয়েছে আদিবাসী গ্রাম, যেখানে স্থানীয় সংস্কৃতি ও হস্তশিল্পের ছোঁয়া পাওয়া যায়। শীতকালে পাখিপ্রেমীরাও এখানে ভিড় জমান।

একটু ইতিহাস - কংসাবতী প্রকল্প শুরু হয় ১৯৫০-এর দশকে, মূল উদ্দেশ্য ছিল সেচ ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ। বাঁধটি দক্ষিণবঙ্গের কৃষিতে বড় ভূমিকা রেখেছে । বর্তমানে এটি হল এশিয়ার বৃহত্তম মৃত্তিকা নির্মিত বাঁধ । ধীরে ধীরে এর চারপাশে গড়ে ওঠে পর্যটন কেন্দ্র। লালমাটির এই অঞ্চল একসময় জঙ্গলমহলের অন্তর্গত ছিল, যেখানে সাঁওতাল ও অন্যান্য আদিবাসী জনগোষ্ঠীর বসবাস বহু প্রাচীনকাল থেকে।

কলকাতা থেকে কিভাবে যাব - কলকাতা থেকে প্রায় ২৫০ কিলোমিটার দূরে মুকুটমনিপুর।
ট্রেনে: হাওড়া থেকে বাঁকুড়া বা খড়গপুর লাইনের ট্রেনে বাঁকুড়া স্টেশন। সেখান থেকে গাড়ি বা বাসে প্রায় ৫৫ কিমি।
বাসে : কলকাতার ধর্মতলা থেকে সরাসরি বাসও পাওয়া যায় (সময় লাগে ৬–৭ ঘণ্টা)।
নিজস্ব গাড়িতে : দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়ে ধরে বিষ্ণুপুর হয়ে গেলে রাস্তা সুন্দর ও আরামদায়ক।
কোথায় থাকবো - এখানে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন উন্নয়ন নিগমের লজ রয়েছে, পাশাপাশি একাধিক বেসরকারি হোটেল ও রিসর্ট। ড্যামের কাছাকাছি থাকলে দৃশ্য উপভোগ করা সহজ হয়। শীত ও ছুটির মরশুমে আগে থেকে বুকিং করাই ভালো।

খরচপাতি কেমন হবে - দু’দিন একরাতের ভ্রমণে মাথাপিছু আনুমানিক ৩০০০–৬০০০ টাকার মধ্যে খরচ হতে পারে (যাতায়াত, থাকা, খাওয়া মিলিয়ে)। সরকারি লজ তুলনামূলক সাশ্রয়ী। নৌবিহার বা স্থানীয় দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার জন্য আলাদা কিছু খরচ ধরতে হবে।
মুকুটমনিপুর বিলাসী পর্যটনের জায়গা নয়; বরং প্রকৃতির সান্নিধ্যে শান্তি খোঁজার ঠিকানা। লালমাটির পথ, বিস্তীর্ণ জলাধার আর নির্জন পাহাড়—সব মিলিয়ে সপ্তাহান্তের ছোট্ট ছুটিতে মনকে নতুন করে সাজিয়ে নেওয়ার এক অনন্য সুযোগ দেয় মুকুটমনিপুর।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
এমন মানবিক প্রচেষ্টা স্থানীয় মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে
ওড়িশার কোলাহল মুক্ত সমুদ্র সৈকত গোপালপুর
রাষ্ট্রসংঘে হামলার প্রতিবাদে সরব
ঘনঘন সাইরেন ইজরায়েলে
যৌথ হামলার প্রত্যাঘাত শুরু ইরানের
প্রত্যাঘাত করতে মরিয়া ইরান
রাষ্ট্রসংঘে চিঠি ইরানের বিদেশমন্ত্রীর