নিজস্ব প্রতিনিধি, মধ্যপ্রদেশ — লক্ষ্যভেদের মঞ্চে একের পর এক সাফল্য এনে ইতিহাস গড়েছেন প্রীতি রজক। পুরুষ প্রধান সেনাবাহিনীর কঠিন পরিসরে নিজের দক্ষতায় আলাদা পরিচিতি তৈরি করেছেন তিনি। দীর্ঘ পরিশ্রম আর আত্মবিশ্বাস আজ তাঁকে দেশের গর্বের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছে। ভারতীয় সেনার প্রথম মহিলা সুবেদার হিসেবে তাঁর এই সাফল্য এখন গোটা দেশের চর্চার কেন্দ্রবিন্দু।
মধ্যপ্রদেশের ইটারসির এক সাধারণ দর্জি পরিবারে জন্ম প্রীতির। সীমিত সামর্থ্যের সংসারে ছোটবেলা থেকেই লড়াই চালিয়ে গেছে সে। তবে কোনো কঠিন পরিস্থিতিই তাঁর স্বপ্নকে থামাতে পারেনি। লক্ষ্যভেদের প্রতি প্রবল আগ্রহ থেকেই ধীরে ধীরে নিজেকে গড়ে তোলেন তিনি। ২০২২ সালে ভারতীয় সেনার ‘কর্পস অফ মিলিটারি পুলিশ’এ যোগ দেওয়ার পর তাঁর জীবনে আসে বড় পরিবর্তন। কঠোর প্রশিক্ষণ, দীর্ঘ অনুশীলন, মানসিক চাপ এই সবকিছুর মধ্যেও নিজের দক্ষতা প্রমাণ করে চলেন তিনি।
এরপর ১৯তম এশিয়ান গেমসে রুপোর পদক জয়ের পর আরও বড় স্বীকৃতি লাভ করেন প্রীতি রজক। ২০২৬ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম মহিলা সুবেদার হিসেবে ইতিহাস গড়েন তিনি। বর্তমানে ২০২৮ 'লস অ্যাঞ্জেলেস অলিম্পিক' কে সামনে রেখে বিশেষ প্রশিক্ষণের ওপর নজর করছেন প্রীতি। এমনকি সেনার তত্ত্বাবধানে প্রতিদিন আরও নিখুঁত প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি। তাঁর এই যাত্রা আজ অসংখ্য তরুণীর কাছে সাহস, জেদ, সাফল্যের এক উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।
রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে সম্প্রীতি বজায় রাখার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়...
এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে জগদ্দল বিধানসভায়
তৃণমূলে যোগ দেওয়া থেকে শুরু করে তৃণমূল ছেড়ে দেওয়া সবকিছুর পেছনে ঠিক কী কারণ ছ...
এই জয় কোনওভাবেই সেই ক্ষত বা বেদনার ক্ষতিপূরণ হতে পারে না
বিদেশে পালানোর আশঙ্কাতেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানা গেছে