নিজস্ব প্রতিনিধি , বিশাখাপত্তনম - বিশাখাপত্তনমে আন্তর্জাতিক নৌবাহিনীর মহড়া ঘিরে এখন কার্যত সাজ সাজ রব । ভারতীয় নৌসেনার উদ্যোগে আয়োজিত আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ (IFR) এবং বহুপাক্ষিক নৌমহড়া মিলান–২০২৬-এ অংশ নিতে একে একে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি-সহ বহু দেশের যুদ্ধজাহাজ। আগামী ১৮ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এই বিশাল নৌবহর পর্যালোচনা করবেন। ভারতের পূর্ব উপকূলে এমন আয়োজন শুধু সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং কূটনৈতিক বার্তা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতারও গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক হয়ে উঠেছে।

এই বছরের আয়োজনের বিশেষত্ব হল—প্রথমবারের মতো একই সময়ে আন্তর্জাতিক ফ্লিট রিভিউ, মিলান নৌমহড়া এবং Indian Ocean Naval Symposium-এর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রায় ৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিত্ব, ৭০-এর বেশি যুদ্ধজাহাজ ও প্রায় ৫০টি নৌবিমান এই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে বলে জানা গেছে। এতে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, জাপান, অস্ট্রেলিয়া থেকে শুরু করে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশের উপস্থিতি ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ভারতের ক্রমবর্ধমান ভূমিকারই ইঙ্গিত দেয়।
ভারতের দৃষ্টিকোণ থেকে এই মহড়া বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। একদিকে এটি সামুদ্রিক নিরাপত্তা, অ্যান্টি-সাবমেরিন যুদ্ধ কৌশল ও সমন্বিত অপারেশন অনুশীলনের সুযোগ করে দিচ্ছে; অন্যদিকে ‘অ্যাক্ট ইস্ট’ নীতির অংশ হিসেবে প্রতিবেশী ও মিত্র দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক আরও দৃঢ় করছে। বিশেষ নজর কেড়েছে ভারতের দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি বিমানবাহী রণতরী INS Vikrant, যা এই নৌসমাবেশের অন্যতম আকর্ষণ।

শুধু সমুদ্রেই নয়, স্থলভাগেও এই আয়োজনের প্রভাব স্পষ্ট। বিশাখাপত্তনম শহরের হোটেলগুলিতে বুকিংয়ের চাপ বেড়েছে, আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি ও নৌকর্মীদের আগমনে স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ‘মিলান ভিলেজ’-এর মতো সাংস্কৃতিক কেন্দ্র তৈরি করে বিদেশি প্রতিনিধিদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মেলবন্ধনের সুযোগও রাখা হয়েছে, যা সামরিক সহযোগিতার পাশাপাশি সফট ডিপ্লোমেসির গুরুত্বপূর্ণ দিক।

নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, ভারত মহাসাগরে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের বহুপাক্ষিক মহড়া ভারতের কৌশলগত অবস্থান আরও শক্তিশালী করছে। বিশেষ করে উপসাগরীয় দেশ, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং ভারতীয় উপমহাদেশের নৌবাহিনীগুলির একসঙ্গে অনুশীলন ও মহড়া ভবিষ্যতের সমুদ্র নিরাপত্তা জোট গঠনের ইঙ্গিতও বহন করে , যা আন্তর্জাতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে ভারতের গভীর প্রভাব ইঙ্গিত করে।
কিন্তু চাহিদার তুলনায় উৎপাদন কম থাকায় তৈরি হয়েছে এক বিরাট ঘাটতি
আগামী এপ্রিল-মে মাসের মধ্যেই এই অত্যাধুনিক সাবমেরিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে কমিশন হতে পারে
মূল উদ্দেশ্য ছিল বিভিন্ন ব্যাঙ্কের মধ্যে তাৎক্ষণিক অর্থ লেনদেনকে সহজ নিরাপদ ও একক প্ল্যাটফর্মে নিয়ে আসা
এমন মানবিক প্রচেষ্টা স্থানীয় মহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে
ওড়িশার কোলাহল মুক্ত সমুদ্র সৈকত গোপালপুর
একাধিক গুরুতর অভিযোগে জর্জরিত নোবেল
বাংলাদেশে সদ্য সরকার গঠন করেছে তারেক
প্রায় ৪ বছরের বেশি সময় ধরে অব্যাহত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ
এই নিয়ে প্রায় ৫০ বার যুদ্ধ থামানো দাবি মার্কিন প্রেসিডেন্টের
বাণিজ্যচুক্তির পরও ভারতের ওপর ক্ষুব্ধ ট্রাম্প