নিজস্ব প্রতিনিধি , কলকাতা - বাড়ি ফাঁকা বা গভীর রাত যখন আপনি সম্পূর্ণ একা। এইসময় মানুষের মনে নানারকম চিন্তাভাবনা আসে। তবে যাদের জীবনে যৌনসুখ আসেনি তাদের জন্য সুবর্ণসুযোগ এই সময়ে পর্ণগ্রাফি দেখার। তারা করেনও তাই। ফাঁকা বাড়ির আশায় থাকেন যেন তাদের কেউ দেখতে না পায়। আপনি একা , কানে হেডফোন , স্ক্রিনে চলছে পর্ন। তবে এটা স্বাভাবিক নয়। পর্ণগ্রাফি দেখার একাধিক বাজে প্রভাব রয়েছে। যা না জানলে একসময় আপনি বাস্তব জীবনের নারী অথবা নিজের স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হওয়াই মুশকিল হয়ে উঠবে।
এই বদভ্যাস আপনার মস্তিষ্ক, মন, সম্পর্ক, ভবিষ্যৎসবকিছুকে নীরবে ধ্বংস করে দেয়। আপনার মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড সিস্টেম নষ্ট হয়ে যায়। আপনি যখন পর্ন দেখেন, আপনার মস্তিষ্কে ডোপামিন নামে আনন্দ-হরমোন হঠাৎ করে বিস্ফোরণ ঘটে। মস্তিষ্ক যত বেশি পায়, তত বেশি চায়। ফলে আগে ৫ মিনিটে যে উত্তেজনা হত এখন আধঘণ্টা লাগে, আগের “নরমাল” সিন দেখে আর তৃপ্তি হয় না। আরও “অস্বাভাবিক”, “বিকৃত” ক্যাটাগরির দিকে ধীরে ধীরে ঝুঁকে পড়েন। বাস্তবের যৌনতা আপনার কাছে বিরক্তিকর মনে হতে শুরু করে।
বাস্তব জীবনের না-রী আপনার কাছে “কম আকর্ষণীয়” হয়ে যায়। স্ক্রিনে যা দেখেন
সেগুলো ক্যামেরা, লাইট, মেকআপ, ফেক পারফরম্যান্স। কৃত্রিম শব্দ দিয়ে বানানো। কিন্তু আপনার মস্তিষ্ক সেটা সত্যি ভেবে নেয়। ফলে প্রেমিকা/স্ত্রীর শরীর স্ক্রিনের অভিনেত্রীর মতো লাগে না। বাস্তব মিলনে আগের মতো মজা উত্তেজনা আসে না, ছোটখাটো শারীরিক ত্রুটি আপনাকে বিরক্ত করে। বাস্তব মেলবন্ধন করুন বা না করুন মস্তিষ্ক স্ক্রিনকেই বেছে নেয়। এটা কেবল সম্পর্ক ভাঙে না আপনার নিজের নৈতিকতা, আপনার বাস্তব সুখ, সবকিছু নষ্ট করে দেয়।
এই আসক্তি মানে নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ হারানো। কখনও প্রতিজ্ঞা করেন , আজ আর দেখবো না।। কিন্তু রাত হলেই ফের মোবাইল হাতে যায় নিজের অজান্তে। এই লড়াইটা শুধু আপনার না। এটা যেকোনো ড্রাগ আসক্তের লড়াইয়ের মতোই। যখন কেউ নিজের শরীর-মস্তিষ্ক নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না তখন সেই ব্যক্তি আসলে নিজের জীবনই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না।
আপনার আবেগ, মনোযোগ, ফোকাস ধ্বংস হয়ে যায়। মাথা ঝিম ধরে। কোনোকিছুতে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়। অল্পতেই বিরক্ত হয়ে ওঠেন।এগুলো এমনভাবে আপনাকে গ্রাস করে যে আপনি নিজের সমস্যা নিজেই বুঝতে পারেন না।
যখন একজন ছেলে এই বিষয়ে আসক্ত হয় তখন সে বাস্তব সম্পর্কে আগ্রহ হারায়। প্রেমিকা বা স্ত্রী অবহেলিত বোধ করে , যৌন সম্পর্ক খারাপ হয়। মেয়েরা সন্দেহ, মানসিক যন্ত্রণা অনুভব করে। একটা সময় শেষমেশ সম্পর্ক ভেঙে যায়।
যীশুর বার্তা ছড়াতে চাই দাবি পোপের
নাসার আর্তেমেসিস ২ চন্দ্র অভিযান শেষ হওয়ার পরেই ট্রাম্পের পোস্ট ব্যাপক আলোচনার...
অভিজ্ঞতাহীন একজনকে দায়িত্ব দেওয়ায় উঠছে একগুচ্ছ প্রশ্ন
চুক্তি নিয়ে যদিও শুরু থেকে কোনো মাথাব্যথা ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের
জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে এলাকায়