নিজস্ব প্রতিনিধি , জয়পুর - সরকারি চাকরির লোভে নিজের মাকে খুনের মামলায় এবার সামনে এল আরও এক রোমহর্ষক তথ্য। মায়ের আগে বাবাকে সরিয়ে দেওয়ার পিছনে ২৩ বছরের তরুণী আয়ুশির হাত ছিল। এমনটাই অনুমান করছেন তদন্তকারীরা। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই পুরো ঘটনাটি নিয়ে নতুন করে রহস্য ঘনীভূত হতে শুরু করেছে।
জয়পুরের বাসিন্দা নীরজ শর্মা। সেখানে লোয়ার ডিভিশন ক্লার্ক (এলডিসি) হিসেবে কাজ করতেন। গত ৩ জুলাই প্রতাপ নগর এলাকায় তাঁর হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তদন্তে নেমে পুলিশ চাঞ্চল্যকর বিষয় জানতে পারে। নিহতের কন্যা আয়ুশি তাঁর কাকা ও খুড়তুতো ভাই বলরামের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিলেন। তাঁরা ৭ লক্ষ টাকার চুক্তিতে এক পেশাদার খুনি ভাড়া করেন মাকে খুন করার জন্য। মেয়ের কথায়, বাবার মৃত্যুর পর তাঁর সরকারি চাকরিটি মা পেয়ে যান। এতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন আয়ুশি। সেই চাকরি ও পারিবারিক সম্পত্তি হস্তগত করার উদ্দেশ্যেই ঠান্ডা মাথায় এই অপরাধের ছক কষা হয়। পুলিশি তদন্তে এই তথ্যই উঠে এসেছে।
তদন্ত যত এগোচ্ছে, আয়ুশির বাবা বিজয় শর্মার মৃত্যু নিয়েও কুয়াশা তত গাঢ় হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে আয়ুশির মামার এক বিস্ফোরক দাবি পুলিশকে নতুন ভাবনায় ফেলে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বিজয়বাবু গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে চিকিৎসার মাধ্যমে তিনি ধীরে ধীরে সুস্থও হয়ে উঠছিলেন। কিন্তু আয়ুশি ও তাঁর খুড়তুতো ভাই বলরাম উন্নত চিকিৎসার বাহানায় তাঁকে অন্য জায়গায় নিয়ে যান। দীর্ঘ ৩ মাস অজ্ঞাত স্থানে রাখার পর হঠাৎই বিজয়বাবুকে জয়পুরের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক ছিল। চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর শরীরের ৯০ শতাংশ অঙ্গই অকেজো হয়ে পড়েছিল। পরবর্তীতে বাড়িতেই তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ সূত্রে খবর, বিজয়ের মৃত্যুর পর সরকারি চাকরি পাওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন আয়ুশি। কিন্তু সেই চাকরি মা নিয়ে নেওয়ায় বিবাদ চরমে ওঠে। জেরা চলাকালীন জানা গেছে, চাকরি নিয়ে মায়ের সঙ্গে সংঘাতের সময় আয়ুশি চরম হুমকি দিয়েছিলেন। তিনি তাঁর মাকে বলেছিলেন, বাবার খাবারের নল খুলে যেভাবে তাঁকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল, মাকে শেষ করা তার চেয়েও ঢের সহজ কাজ। তরুণীর এই ভয়ংকর মানসিকতা ও বয়ান শুনে তদন্তকারীরাও হতবাক হয়ে যান। বর্তমানে এই জোড়া খুনের চক্রান্তে পরিবারের বাকি সদস্যদের ভূমিকা ও সমস্ত নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আগামী দিনে এই মামলায় আরও বড় কোনও তথ্য সামনে আসতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
তবে বাবার মৃত্যুর ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছয়নি পুলিশ। সমস্ত তথ্য, নথি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একইসঙ্গে অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদও চলছে। তদন্তকারীদের মতে, মা ও বাবার মৃত্যুর মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, সেটাই এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সেই উত্তর খুঁজতেই তদন্ত আরও গভীর করা হয়েছে। পুলিশের ধারণা, আগামী দিনে এই মামলায় আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।
পাকিস্তানি পরিচয় গোপন করে দীর্ঘদিন ভারতে থাকার অভিযোগ, বাতিল ভোটার ও রেশন কার্ড
সাধারণ যাত্রীর ছদ্মবেশে বাসে উঠেছিলেন কর্নাটকের পরিবহণমন্ত্রী, কন্ডাক্টরের আচরণ ঘিরে শুরু বিতর্ক
দাম্পত্য কলহের জেরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা, রক্তাক্ত অবস্থায় মায়ের দেহ দেখতে পায় সন্তানরা
কালো জাদুর নামে পুত্রবধূর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ, কাঠগড়ায় উদ্ধব ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন সাংসদ বিনায়ক রাউত
লোকসভার সঙ্গে হতে পারে সব বিধানসভা নির্বাচন, কয়েকটি রাজ্যে কমতে পারে বর্তমান মেয়াদ
মেতেই অধ্যুষিত এলাকায় ব্যাপক তাণ্ডব, নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ
কোমর্বিডিটি থাকা রোগীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
নারীদের নিরাপত্তা, বাল্যবিবাহ ও শরিয়া আইন নিয়ে বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার মুখে অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহরসায়
নাবালিকার পরিবারের উপর প্রতিশোধ? তেলেঙ্গানায় জোড়া নয়, একসঙ্গে ৬ খুন
দাতিয়া উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা। প্রাক্তন মন্ত্রীর সমর্থকদের বিক্ষোভে অবরুদ্ধ জাতীয় সড়ক, বাড়ল অস্বস্তি
ই-২০ জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগের মাঝে অবস্থান স্পষ্ট করল পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক
ভুয়ো শংসাপত্রে নিয়োগের অভিযোগ, তদন্তের পর বড় পদক্ষেপ শিক্ষা দফতরের
অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করেও জেইই অ্যাডভান্সডে সাফল্য, আইআইটি দিল্লিতে সুযোগ গুঞ্জনের
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...