নিজস্ব প্রতিনিধি , লখনউ - উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল আনন্দীবেন প্যাটেলের একটি মন্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছে। পরিবার, শিক্ষা ও নারীর ভূমিকা নিয়ে তাঁর বক্তব্য সংবাদ শিরোনামে উঠে এসেছে। এটি ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। একটি সমাবর্তন অনুষ্ঠানে দেওয়া তাঁর একাধিক মন্তব্য নিয়ে এখন জোর চর্চা চলছে।
সম্প্রতি কানপুরের ছত্রপতি শাহু জি মহারাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পড়ুয়া ও শিক্ষকেরা। সেখানে অনেক অভিভাবক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের আধিকারিকরাও ছিলেন। সেই মঞ্চে বক্তব্য রাখতে গিয়ে রাজ্যপাল শিক্ষা, পারিবারিক মূল্যবোধ, সামাজিক দায়িত্বের উপর বিশেষ জোর দেন। তিনি বলেন, কোনো মহিলা আইএএস অফিসার বা শিক্ষিকা হতেই পারেন। অন্য কোনো পেশায় সফল হওয়াও কঠিন নয়। তবে তার আগে তাঁকে একজন 'এক্সপার্ট মা' হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
তাঁর মতে, পরিবারের দায়িত্ব সম্পর্কে প্রত্যেকের সচেতন থাকা প্রয়োজন। বাড়িতে কীভাবে রান্না হয়, সেই বিষয়েও মেয়েদের ধারণা থাকা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি জানান, বিয়ের পর কোনো মহিলার শিক্ষাজীবন থেমে যাওয়া উচিত নয়। বরং শিক্ষিত নারীরা তাঁদের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দেশের উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করতে পারেন। শিক্ষা শুধু ব্যক্তিগত সাফল্যের জন্য নয়। সমাজ গঠনের ক্ষেত্রেও তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।
শুধু নারীদের নয়, অভিভাবকদের প্রতিও গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন আনন্দীবেন প্যাটেল। তাঁর বক্তব্য, সন্তানকে স্কুল বা কলেজে ভর্তি করিয়ে দিলেই দায়িত্ব শেষ হয়ে যায় না। পড়াশোনার পাশাপাশি সন্তান কী করছে, সেদিকে নজর রাখা দরকার। সে কীভাবে সময় কাটাচ্ছে, তার মানসিক বিকাশ ঠিকমতো হচ্ছে কি না, তাও দেখা জরুরি। বর্তমান সময়ে তরুণ প্রজন্মের উপর বিভিন্ন সামাজিক ও প্রযুক্তিগত প্রভাব বাড়ছে। সেই কথা উল্লেখ করে তিনি অভিভাবকদের আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। তাঁর মতে, সামান্য অসাবধানতাও ভবিষ্যতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।
নিজের বক্তৃতায় সমাজে বাড়তে থাকা নারী নির্যাতন ও গার্হস্থ্য হিংসার ঘটনাও তুলে ধরেন রাজ্যপাল। মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের ঘটনা নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, শুধু ডিগ্রি অর্জন করলেই শিক্ষার উদ্দেশ্য পূরণ হয় না। যদি শিক্ষিত সমাজেও অপরাধের সংখ্যা কমানো না যায়, তাহলে শিক্ষাব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। তাঁর কথায়, একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ডিগ্রির সংখ্যা বাড়লেও সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন না এলে সেই শিক্ষার সাফল্য নিয়ে ভাবতে হবে।
উল্লেখ্য, এদিনের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে মোট ১ লক্ষ ৭ হাজার ৭১৩ জন পড়ুয়ার হাতে ডিগ্রি তুলে দেওয়া হয়। পদকপ্রাপকদের মধ্যে প্রায় ৮২ শতাংশই ছিলেন ছাত্রী। রাজ্যপাল তাঁদের সাফল্যের প্রশংসা করেছেন। তবে নারীদের ভূমিকা, পরিবার ও সামাজিক দায়িত্ব নিয়ে তাঁর মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই জোর বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন মহল তাঁর বক্তব্য নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছে।
দাম্পত্য কলহের জেরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা, রক্তাক্ত অবস্থায় মায়ের দেহ দেখতে পায় সন্তানরা
কালো জাদুর নামে পুত্রবধূর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ, কাঠগড়ায় উদ্ধব ঘনিষ্ঠ প্রাক্তন সাংসদ বিনায়ক রাউত
লোকসভার সঙ্গে হতে পারে সব বিধানসভা নির্বাচন, কয়েকটি রাজ্যে কমতে পারে বর্তমান মেয়াদ
মেতেই অধ্যুষিত এলাকায় ব্যাপক তাণ্ডব, নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ
কোমর্বিডিটি থাকা রোগীদের জন্য বিশেষ সতর্কবার্তা
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
নারীদের নিরাপত্তা, বাল্যবিবাহ ও শরিয়া আইন নিয়ে বক্তব্য ঘিরে সমালোচনার মুখে অল ইন্ডিয়া ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহরসায়
নাবালিকার পরিবারের উপর প্রতিশোধ? তেলেঙ্গানায় জোড়া নয়, একসঙ্গে ৬ খুন
দাতিয়া উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনা। প্রাক্তন মন্ত্রীর সমর্থকদের বিক্ষোভে অবরুদ্ধ জাতীয় সড়ক, বাড়ল অস্বস্তি
চাকরি ও সম্পত্তির লোভে জোড়া খুন? তরুণীর বয়ানে স্তম্ভিত তদন্তকারীরা
ই-২০ জ্বালানি নিয়ে উদ্বেগের মাঝে অবস্থান স্পষ্ট করল পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক
ভুয়ো শংসাপত্রে নিয়োগের অভিযোগ, তদন্তের পর বড় পদক্ষেপ শিক্ষা দফতরের
অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করেও জেইই অ্যাডভান্সডে সাফল্য, আইআইটি দিল্লিতে সুযোগ গুঞ্জনের
টানা বর্ষণে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা, পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আশঙ্কা
এক মাস আগের মেয়র দফতরের ঘটনার পর ফের রাজধানীতে বিস্ফোরণের আতঙ্ক
খাবারের মেনু নিয়ে বচসা থেকে হাতাহাতি, বর ও কনেপক্ষের সংঘর্ষে উত্তেজনা বিহারের সহ...
বিদেশের এক দম্পতি মাত্র ৩০ সেকেন্ডে ১৯৫টি চুম্বন করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নি...
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশের পর সরব এনসিপি, বিচারের রায় কার...
শেষ পর্যন্ত এই আচরণ মেনে নিতে না পেরে বিয়ে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন কনে। ...